
বৈশ্বিক বাজারে স্বর্ণের দামে পতন দেখা গেছে। শক্তিশালী মার্কিন ডলার ও উচ্চ জ্বালানি মূল্যের প্রভাবে এই নিম্নমুখী প্রবণতা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্থবির আলোচনা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স। বৃহস্পতিবার স্পট গোল্ডের দাম ০.৮ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৬৯৯ দশমিক ৮৫ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে জুন ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণ ফিউচারও ০.৮ শতাংশ কমে ৪,৭১৬ দশমিক ২০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ১০০ ডলারের কাছাকাছি অবস্থান করায় মুদ্রাস্ফীতির চাপ বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে সুদের হার দীর্ঘ সময় উচ্চ পর্যায়ে থাকতে পারে—এমন ধারণা জোরালো হচ্ছে। ফলে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণে বিনিয়োগের আগ্রহ কিছুটা কমছে। অন্যদিকে, ডলারের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে অন্যান্য মুদ্রার বিনিয়োগকারীদের জন্য স্বর্ণ কেনা তুলনামূলক ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে, যা চাহিদায় প্রভাব ফেলছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার অগ্রগতি আগামী দিনে স্বর্ণবাজারের গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

