― Advertisement ―

প্রজ্ঞানন্দ স্মৃতি সংসদের বর্ষবরণ ও গুনীজন সংবর্ধনা সম্পন্ন

স ম জিয়াউর রহমান, চট্টগ্রাম থেকে : রাউজান উপজেলার পুর্বআবুরখীল তালুকদারপাড়ায় অবস্থিত সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন প্রজ্ঞানন্দ স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে নববর্ষ বরণ, গুনীজন সংবর্ধনা ও...

চট্টগ্রাম ডিসি হিলে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বৈশাখী উৎসব পুনরুজ্জীবন—নাগরিক ফোরামের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন

Homeচট্টগ্রামচট্টগ্রাম ডিসি হিলে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বৈশাখী উৎসব পুনরুজ্জীবন—নাগরিক ফোরামের পক্ষ থেকে...

চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী ডিসি হিল—যেখানে পহেলা বৈশাখের সকালে বাঙালির প্রাণের সংস্কৃতি, আবেগ ও ঐতিহ্য এক অপূর্ব মিলনমেলায় রূপ নেয়—সেই স্থানটি দীর্ঘ প্রায় এক দশক পর আবারও বৈশাখী সাংস্কৃতিক আয়োজনে মুখরিত হয়ে উঠেছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসানে এই সফল আয়োজন চট্টগ্রামবাসীর হৃদয়ে নতুন করে আনন্দ, স্বস্তি ও সাংস্কৃতিক জাগরণের বার্তা নিয়ে এসেছে। চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের পক্ষ থেকে এই সফল আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, বর্তমান সরকার এবং সকল সহযোগী মহলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানানো হয়। নাগরিক ফোরামের মতে, চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক ইতিহাসে ডিসি হিলের পহেলা বৈশাখ একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। কিন্তু বিগত প্রায় ১০ বছর নানা প্রশাসনিক জটিলতা ও অজানা কারণে এই ঐতিহ্যবাহী উৎসব যথাযথভাবে আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। ফলে চট্টগ্রামবাসী দীর্ঘদিন ধরে এই প্রাণের উৎসব থেকে বঞ্চিত ছিলেন। বর্তমান সরকারের সময় প্রশাসন ও স্থানীয় পর্যায়ের সার্বিক সহযোগিতায় এবারের পহেলা বৈশাখ অত্যন্ত সুশৃঙ্খল, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে। বাউল গান, লোকসংগীত, নৃত্য, কবিতা আবৃত্তি ও নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় ডিসি হিল পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক মিলনমেলায়। চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন এবং মহাসচিব মো. কামাল উদ্দিন যৌথভাবে এক বিবৃতিতে বলেন— “পহেলা বৈশাখ আমাদের জাতিগত পরিচয় ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। ডিসি হিলে এই উৎসবের দীর্ঘদিন পর পুনরায় সফল আয়োজন চট্টগ্রামের মানুষের জন্য এক নতুন আশার বার্তা। আমরা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।” তারা আরও বলেন, এই আয়োজন শুধু একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়; বরং এটি চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার এবং প্রজন্মের মধ্যে ঐতিহ্যবাহী চেতনা জাগ্রত করার এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এই ধরনের জাতীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসবগুলো নিয়মিতভাবে আরও বিস্তৃত পরিসরে আয়োজন করা হবে, যাতে নতুন প্রজন্ম নিজেদের শেকড়, ইতিহাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে আরও গভীরভাবে সম্পৃক্ত হতে পারে। সবশেষে নাগরিক ফোরামের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দীর্ঘ ১০ বছরের শূন্যতা কাটিয়ে ডিসি হিল আবারও বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখের এক উজ্জ্বল প্রতীক হয়ে উঠেছে—যা চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।