শিরোনাম
ফটিকছড়িতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ টেস্টার মোবারক গ্রেপ্তারযাত্রাবাড়ীতে ২১৫ গ্রাম গাঁজাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তারশেখ হাসিনার পতন, দেশত্যাগ, এবং ভবিষ্যতের রাজনীতিঃএক বছর আগে যে আলো দেখেছিলাম হাসিব আজিজ—চট্টগ্রামের কমিশনার থেকে অতিরিক্ত আইজিপি, এপিবিএন প্রধানসমাজের নৈতিক পরিবর্তনে সীরত মাহফিলের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণএপিবিএনকে আরও বিস্তৃত ক্ষমতা দিতে নতুন আইন হচ্ছেবিমানবন্দর এলাকায় ছিনতাইয়ের সময় একজন গ্রেপ্তারআধুনিক চিকিৎসাসেবায় নতুন আস্থার ঠিকানা চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালতখন এস আলমের নাম নেওয়াই ছিল অপরাধ—আজ ফেসবুকের স্মৃতিতে ফিরে এলো আমার সেই সাহসী লেখা এস আলম গ্রুপকে বাঁচানোর সেই আর্তনাদ, চট্টগ্রামের শিল্প-অর্থনীতি ও আমার বিবেকের দায়-মরুর বুকে ভ্রমণের গল্প, শব্দে শব্দে জীবনের মুগ্ধতা

― Advertisement ―

ফটিকছড়িতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ টেস্টার মোবারক গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ মো. মোবারক হোসেন ওরফে টেস্টার মোবারক (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে...

**জলবায়ু তহবিলে ২১১০ কোটি টাকার দুর্নীতি: টিআইবি প্রতিবেদন**

Homeজাতীয়**জলবায়ু তহবিলে ২১১০ কোটি টাকার দুর্নীতি: টিআইবি প্রতিবেদন**

আওয়ামী লীগ সরকারের গত ১৪ বছরে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় নেয়া বিভিন্ন প্রকল্পে প্রায় **২ হাজার ১১০ কোটি টাকার দুর্নীতি** হয়েছে বলে জানিয়েছে **ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)**। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, **২০১০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ৮৯১টি প্রকল্পে সংঘটিত দুর্নীতির আনুমানিক পরিমাণ ২৪৮.৪ মিলিয়ন ডলার**, যা টাকায় প্রায় ২ হাজার ১১০ কোটির সমান। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে টিআইবি আয়োজিত **‘বাংলাদেশে জলবায়ু অর্থায়নে সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’** শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এই তথ্য তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, **রাজনৈতিক প্রভাব, যোগসাজশ ও স্বজনপ্রীতির কারণে প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ব্যাপকভাবে ঘটেছে**, অথচ তহবিল ব্যবস্থাপক সংস্থাগুলো এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। টিআইবির হিসাব অনুযায়ী, জলবায়ু অভিঘাত মোকাবিলায় বাংলাদেশের **বার্ষিক প্রয়োজন ১২,৫০০ মিলিয়ন ডলার**, কিন্তু ২০১৫ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে **জাতীয় ও আন্তর্জাতিক তহবিল মিলিয়ে বছরে গড়ে এসেছে মাত্র ৮৬.২ মিলিয়ন ডলার**, যা প্রয়োজনের মাত্র ০.৭ শতাংশ। এছাড়া প্রতিবেদনে দেখা যায়, **জাতীয় তহবিলের বরাদ্দ প্রতিবছর গড়ে ৮.২ শতাংশ কমেছে**, বিপরীতে **আন্তর্জাতিক তহবিলের বরাদ্দ ৪৩.৮ শতাংশ বেড়েছে**, তবে সেটিও প্রয়োজনের তুলনায় অতি নগণ্য। প্রকল্প বাস্তবায়নে **দীর্ঘসূত্রতা ও ব্যর্থতা**ও নিয়মিত ঘটনা—৮৯১টি প্রকল্পের মধ্যে **৫৪৯টির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে**, গড়ে ৬৪৮ দিনের প্রকল্প শেষ হতে লেগেছে **১,৫১৫ দিন**, অর্থাৎ **১৩৩ শতাংশ সময় বৃদ্ধি** পেয়েছে। কিছু চার বছর মেয়াদি প্রকল্প শেষ হতে লেগেছে **১৪ বছর পর্যন্ত**। আন্তর্জাতিক তহবিলেও একই পরিস্থিতি—৫১টি প্রকল্পের মধ্যে **২১টির মেয়াদ গড়ে ৫২ শতাংশ বেড়েছে**। সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক **ড. ইফতেখারুজ্জামান** বলেন, > “বাংলাদেশ প্রতিবছর জলবায়ু ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১০ থেকে ১২ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন। কিন্তু ২০০৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আমরা পেয়েছি মাত্র ১.২ বিলিয়ন ডলার, যা একেবারেই নগণ্য।” তিনি আরও বলেন, > “জাতীয় তহবিলের ৫৪ শতাংশ অর্থ দুর্নীতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই অর্থ লুটপাট করেছে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী গোষ্ঠী। জবাবদিহিতা ও সুশাসনের অভাবেই এই অবস্থা।” টিআইবি মনে করে, **জলবায়ু অর্থায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও প্রকৃত উপকারভোগীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত না হলে টেকসই উন্নয়ন কখনো সম্ভব হবে না।**