শিরোনাম
ফটিকছড়িতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ টেস্টার মোবারক গ্রেপ্তারযাত্রাবাড়ীতে ২১৫ গ্রাম গাঁজাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তারশেখ হাসিনার পতন, দেশত্যাগ, এবং ভবিষ্যতের রাজনীতিঃএক বছর আগে যে আলো দেখেছিলাম হাসিব আজিজ—চট্টগ্রামের কমিশনার থেকে অতিরিক্ত আইজিপি, এপিবিএন প্রধানসমাজের নৈতিক পরিবর্তনে সীরত মাহফিলের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণএপিবিএনকে আরও বিস্তৃত ক্ষমতা দিতে নতুন আইন হচ্ছেবিমানবন্দর এলাকায় ছিনতাইয়ের সময় একজন গ্রেপ্তারআধুনিক চিকিৎসাসেবায় নতুন আস্থার ঠিকানা চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালতখন এস আলমের নাম নেওয়াই ছিল অপরাধ—আজ ফেসবুকের স্মৃতিতে ফিরে এলো আমার সেই সাহসী লেখা এস আলম গ্রুপকে বাঁচানোর সেই আর্তনাদ, চট্টগ্রামের শিল্প-অর্থনীতি ও আমার বিবেকের দায়-মরুর বুকে ভ্রমণের গল্প, শব্দে শব্দে জীবনের মুগ্ধতা

― Advertisement ―

ফটিকছড়িতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ টেস্টার মোবারক গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ মো. মোবারক হোসেন ওরফে টেস্টার মোবারক (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে...

**নিউ মার্কেটে আ.লীগ কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগে এনসিপির দখল**

Homeচট্টগ্রাম**নিউ মার্কেটে আ.লীগ কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগে এনসিপির দখল**

চট্টগ্রাম নগরীর নিউ মার্কেট এলাকায় আওয়ামী লীগের একটি কার্যালয় ভাঙচুর ও দখলের অভিযোগ উঠেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে নগরের কোতোয়ালি থানার জিপিও সংলগ্ন দোস্ত বিল্ডিংয়ের চতুর্থ তলায় এই ঘটনা ঘটে। চতুর্থ তলাটি চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ঘটনার সময় সেখানে ৪০–৫০ জন নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, একদল যুবক কার্যালয়ের সামনের দেয়ালে থাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল ভাঙচুর করছেন। ভিডিওতে এনসিপি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা আরিফ মঈনুদ্দিনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। দোস্ত বিল্ডিং চট্টগ্রামের একটি পুরনো ভবন, যেখানে গণসংহতি আন্দোলন, বিএনপি, আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের কার্যালয় রয়েছে। এনসিপির চট্টগ্রাম মহানগর শাখার যুগ্ম সমন্বয়ক আরিফ মঈনুদ্দিন জানান, তাদের কাছে তথ্য ছিল যে, ছাত্রলীগ ও আ.লীগের নেতাকর্মীরা রাতে এই কার্যালয় ব্যবহার করে নগরজুড়ে অগ্নিসন্ত্রাসের পরিকল্পনা করছিল। “আমরা সেখানে গিয়ে তালা ভেঙে প্রবেশ করি। ভেতরে সভা করার জন্য সমস্ত আয়োজন পাওয়া গেছে,” তিনি বলেন। তিনি আরও জানান, প্রায় এক বছর আগে তাদের দলের লোক একই কার্যালয়ে প্রবেশ করেছিলেন, তখন শেখ হাসিনার ছবি ভাঙচুর করা হয়েছিল। এরপর কার্যালয়টি কিছুদিন বন্ধ ছিল। “আজ আমরা আবার সেখানে গিয়েছি এবং আগামী দু’দিন ভবনের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করব। ঘটনার সময় অফিসের কেয়ারটেকার পালিয়ে যান,” তিনি বলেন। কোতোয়ালি থানার ওসি আব্দুল করিম কালবেলা বলেন, বিষয়টি তাদের জানা আছে, তবে কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ করেনি। তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।