
আহতরা হলেন যুবদল নেতা রাসেল হাওলাদার, রাকিব হাওলাদার, রিপন হাওলাদার এবং টুটুল হাওলাদারসহ মোট পাঁচজন। বুধবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে কয়ারিয়া ইউনিয়নের ময়দান বাজারে এই ঘটনা ঘটে। হামলার পর উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, মাদারীপুর-৩ আসনের বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী আনিসুর রহমান তালুকদার খোকনের পক্ষের নেতাকর্মীরা কালকিনি উপজেলার কয়ারিয়া ইউনিয়নের ময়দান বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে তার ব্যানার স্থাপন করেন। কিন্তু রাতে অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজন ব্যানারগুলো ভেঙে ফেলে। এই ব্যানার ইস্যুকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দুপক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয় এবং একপর্যায় হামলা চালানো হয়। এতে রাসেল হাওলাদার, রাকিব হাওলাদার, রিপন হাওলাদার ও টুটুল হাওলাদারসহ পাঁচজন আহত হন। প্রথমে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে রাসেলের অবস্থার অবনতি হলে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। কয়ারিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. কামাল হোসেন সরদার বলেন, “আমাদের নেতা আনিসুর রহমান তালুকদারের ব্যানারগুলো ময়দান বাজারে স্থাপন করা হয়েছিল। রাতের অন্ধকারে সব ব্যানার ভেঙে ফেলা হয়। প্রতিবাদ করলে মামুন হাওলাদার, মুন্না হাওলাদার, টিপু হাওলাদার ও তপুসহ কয়েকজন আমাদের নেতা ও কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এতে রাসেল, রাকিব, রিপন ও টুটুলসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। আমরা হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করব।” অভিযুক্ত মামুন হাওলাদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। কালকিনি থানার ওসি কে এম সোহেল রানা বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে মোতায়ান করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


