শিরোনাম
“সন্ত্রাসের সামনে আপসহীন ওসি আবদুর রহিম—খুলশীতে আইনের শাসনের নতুন বার্তা”চরণদ্বীপে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভাচরনদ্বীপে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভাঢাকা–কক্সবাজার আকাশপথে ভাড়ার নৈরাজ্য বন্ধ করুন | “পর্যটন রাজধানীকে জিম্মি করে বিমানভাড়া বাড়ানোর সুযোগ দেওয়া যায় না” | সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি কক্সবাজার ক্লাব লিমিটেডেরদূরের দেশ, কাছের মানুষ—মুনা উইলসনের সঙ্গে শারজাহ বিমানবন্দরে দুই ঘণ্টার মায়াবী সাক্ষাৎ দূরের দেশ, কাছের মানুষ-দেশে সংকটের মাঝে মিয়ানমারে পাচার হচ্ছে সারবন্যায় জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত, বাংলাদেশে নেপালের বিদ্যুৎ রপ্তানি বন্ধরেলওয়ের তিন শীর্ষ পদে বড় রদবদলইস্টার্ন রিফাইনারি আধুনিকায়নে আইডিবির সঙ্গে বিলিয়ন ডলারের চুক্তি সইফটিকছড়িতে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যুঃ স্বামী সহ ২ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

― Advertisement ―

“সন্ত্রাসের সামনে আপসহীন ওসি আবদুর রহিম—খুলশীতে আইনের শাসনের নতুন বার্তা”

চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী—আবাসিক এলাকা, গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের বসবাসের কারণে আইনশৃঙ্খলার দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকা। এই এলাকায় মাদক, সন্ত্রাস,...

৪০ শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও ২১ পরীক্ষার্থী পাশ করতে পারেনি বরিশালের বাকেরগঞ্জে,

Homeআন্তর্জাতিক৪০ শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও ২১ পরীক্ষার্থী পাশ করতে পারেনি বরিশালের বাকেরগঞ্জে,

গারুরিয়া ইউনিয়নের দুটি মাদ্রাসার সব আলিম পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। ঘটনাস্থল হলো দেউলী মোহাম্মাদিয়া আলিম মাদ্রাসা ও সাহেবপুর মদিনাতুল উলুম সিনিয়র মাদ্রাসা। অভিভাবক ও স্থানীয়রা শিক্ষকদের অভ্যাস ও দায়িত্বহীনতাকেই মূল কারণ হিসেবে দেখছেন। তাদের অভিযোগ, শিক্ষকেরা সময়মতো পাঠদান করেন না, শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি কম, এবং একাধিক শিক্ষক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত থাকেন। এ কারণেই উভয় মাদ্রাসার সব পরীক্ষার্থী ফেল হয়েছে। ফলাফলে দেখা যায়, সাহেবপুর মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসায় ২৪ শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে ১৪ পরীক্ষার্থী সবই অকৃতকার্য, আর দেউলী মোহাম্মাদিয়া আলিম মাদ্রাসায় ১৬ শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে সাত পরীক্ষার্থী সবই ফেল করেছে। অর্থাৎ, মোট ৪০ শিক্ষক থাকার পরও ২১ শিক্ষার্থী পাশ করতে পারেনি। সাহেবপুর মদিনাতুল উলুমের অধ্যক্ষ মাও. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন পরীক্ষার হলে অতিরিক্ত কঠোরতাকেই দায়ী করেছেন। অপরদিকে দেউলী মোহাম্মাদিয়ার অধ্যক্ষ মাও. আবুল ফারাহ শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনার অভাবকে শতভাগ অকৃতকার্যের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার আমিনুল ইসলাম বলেন, দুই মাদ্রাসার এমন ফলাফল অত্যন্ত দুঃখজনক। উভয় প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষকে লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে এবং তাদের অফিসে ডেকে তদন্ত করা হবে।