শিরোনাম
রাষ্ট্রীয় পুলিশ পদকের স্বীকৃতি পাচ্ছেন বাবুল আজাদ কঠিন সময়ে পাহাড়তলী থেকে ডবলমুরিং, চকবাজার হয়ে ডিবিতে; সাহস, মেধা ও পেশাদারিত্বে উজ্জ্বল এক পুলিশ কর্মকর্তার পথচলা-জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও নিত্যপণ্যের বাজারে বড় প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রীসতীশ বাবু লেইনের ভাইরাল ছিনতাই: মূলহোতা সাদ্দাম গ্রেফতারআন্তর্জাতিক মানদণ্ডে মানবিক পুলিশিংয়ের নতুন দিগন্ত আইসিআরসি ও এপিবিএনের যৌথ প্রশিক্ষণ: আইন প্রয়োগে মানবাধিকার, পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহিতায় হাসিব আজিজের নেতৃত্বে নতুন ভাবনাআমার ছেলেবেলা ৬ সেই রাতগুলো আজও মনে পড়েএপিবিএন: ইতিহাসের অগ্রযাত্রায় জিয়াউর রহমান থেকে আজিজুল হক, আজিজুল হক থেকে হাসিব আজিজ একটি বাহিনীর জন্ম, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ভাবনার বিবর্তন, দুই প্রজন্মের নেতৃত্ব এবং জননিরাপত্তার নতুন অঙ্গীকারবৃহত্তর চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের মহানগর কমিটির প্রথম সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত কালুরঘাট সেতু নির্মাণ, সিটি করপোরেশন নির্বাচন, জলাবদ্ধতা ও যানজট নিরসনসহ ১০ দফা নাগরিক ইস্যুতে কর্মসূচি গ্রহণের সিদ্ধান্তচট্টগ্রাম মেডিকেলে ইউনিট-২ চালুসহ ডেঙ্গু চিকিৎসা নিশ্চিতের দাবি পরিচালকের সঙ্গে বৃহত্তর চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের মতবিনিময় রোগী হয়রানি ও দালালচক্র বন্ধ, জনবল বৃদ্ধি এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম সচলের ওপর জোরযেসব কারণে বাড়ল জ্বালানি তেলের দামহামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১ হাজার ৩০৫

― Advertisement ―

রাষ্ট্রীয় পুলিশ পদকের স্বীকৃতি পাচ্ছেন বাবুল আজাদ কঠিন সময়ে পাহাড়তলী থেকে ডবলমুরিং, চকবাজার হয়ে ডিবিতে; সাহস, মেধা ও পেশাদারিত্বে উজ্জ্বল এক পুলিশ কর্মকর্তার পথচলা-

-মো.কামাল উদ্দিনঃ চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করে সাহস, মেধা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের পরিচয় দেওয়া পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আজাদ ২০২৬ সালের পুলিশ সপ্তাহে রাষ্ট্রীয়...

৪০ শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও ২১ পরীক্ষার্থী পাশ করতে পারেনি বরিশালের বাকেরগঞ্জে,

Homeআন্তর্জাতিক৪০ শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও ২১ পরীক্ষার্থী পাশ করতে পারেনি বরিশালের বাকেরগঞ্জে,

গারুরিয়া ইউনিয়নের দুটি মাদ্রাসার সব আলিম পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। ঘটনাস্থল হলো দেউলী মোহাম্মাদিয়া আলিম মাদ্রাসা ও সাহেবপুর মদিনাতুল উলুম সিনিয়র মাদ্রাসা। অভিভাবক ও স্থানীয়রা শিক্ষকদের অভ্যাস ও দায়িত্বহীনতাকেই মূল কারণ হিসেবে দেখছেন। তাদের অভিযোগ, শিক্ষকেরা সময়মতো পাঠদান করেন না, শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি কম, এবং একাধিক শিক্ষক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত থাকেন। এ কারণেই উভয় মাদ্রাসার সব পরীক্ষার্থী ফেল হয়েছে। ফলাফলে দেখা যায়, সাহেবপুর মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসায় ২৪ শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে ১৪ পরীক্ষার্থী সবই অকৃতকার্য, আর দেউলী মোহাম্মাদিয়া আলিম মাদ্রাসায় ১৬ শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে সাত পরীক্ষার্থী সবই ফেল করেছে। অর্থাৎ, মোট ৪০ শিক্ষক থাকার পরও ২১ শিক্ষার্থী পাশ করতে পারেনি। সাহেবপুর মদিনাতুল উলুমের অধ্যক্ষ মাও. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন পরীক্ষার হলে অতিরিক্ত কঠোরতাকেই দায়ী করেছেন। অপরদিকে দেউলী মোহাম্মাদিয়ার অধ্যক্ষ মাও. আবুল ফারাহ শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনার অভাবকে শতভাগ অকৃতকার্যের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার আমিনুল ইসলাম বলেন, দুই মাদ্রাসার এমন ফলাফল অত্যন্ত দুঃখজনক। উভয় প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষকে লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে এবং তাদের অফিসে ডেকে তদন্ত করা হবে।