শিরোনাম
জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও নিত্যপণ্যের বাজারে বড় প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রীসতীশ বাবু লেইনের ভাইরাল ছিনতাই: মূলহোতা সাদ্দাম গ্রেফতারআন্তর্জাতিক মানদণ্ডে মানবিক পুলিশিংয়ের নতুন দিগন্ত আইসিআরসি ও এপিবিএনের যৌথ প্রশিক্ষণ: আইন প্রয়োগে মানবাধিকার, পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহিতায় হাসিব আজিজের নেতৃত্বে নতুন ভাবনাআমার ছেলেবেলা ৬ সেই রাতগুলো আজও মনে পড়েএপিবিএন: ইতিহাসের অগ্রযাত্রায় জিয়াউর রহমান থেকে আজিজুল হক, আজিজুল হক থেকে হাসিব আজিজ একটি বাহিনীর জন্ম, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ভাবনার বিবর্তন, দুই প্রজন্মের নেতৃত্ব এবং জননিরাপত্তার নতুন অঙ্গীকারবৃহত্তর চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের মহানগর কমিটির প্রথম সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত কালুরঘাট সেতু নির্মাণ, সিটি করপোরেশন নির্বাচন, জলাবদ্ধতা ও যানজট নিরসনসহ ১০ দফা নাগরিক ইস্যুতে কর্মসূচি গ্রহণের সিদ্ধান্তচট্টগ্রাম মেডিকেলে ইউনিট-২ চালুসহ ডেঙ্গু চিকিৎসা নিশ্চিতের দাবি পরিচালকের সঙ্গে বৃহত্তর চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের মতবিনিময় রোগী হয়রানি ও দালালচক্র বন্ধ, জনবল বৃদ্ধি এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম সচলের ওপর জোরযেসব কারণে বাড়ল জ্বালানি তেলের দামহামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১ হাজার ৩০৫“ইউনিফর্মের আড়ালে যে মানুষটিকে আমি দেখেছি জাহিদুল কবির—কঠোর দায়িত্বের ভেতরে নরম এক হৃদয়ের গল্প-

― Advertisement ―

জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও নিত্যপণ্যের বাজারে বড় প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে...

অরুণাচল প্রদেশের ২৭ স্থানকে নাম দেওয়ার ভারতীয় পদক্ষেপ নিয়ে চীনের বার্তা

Homeআন্তর্জাতিকঅরুণাচল প্রদেশের ২৭ স্থানকে নাম দেওয়ার ভারতীয় পদক্ষেপ নিয়ে চীনের বার্তা

অরুণাচল প্রদেশের ২৭টি স্থানের নাম ভারতের সরকারি মানচিত্রে আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম। এ পদক্ষেপকে ‘আত্মপ্রবঞ্চনা’ আখ্যা দিয়ে তারা বলেছে, এটি দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতির ধারার পরিপন্থী এবং সীমান্ত বিরোধ মীমাংসার প্রচেষ্টাকে জটিল করে তুলতে পারে। রোববার (০৯ আগস্ট) চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মুখপত্র গ্লোবাল টাইমস এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, ভারত একতরফাভাবে অরুণাচল প্রদেশের ২৭টি স্থানের নাম নির্ধারণ করলেও এতে সীমান্ত পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে পারে এবং তা দুই দেশের বৃহত্তর স্বার্থে কোনো ভূমিকা রাখবে না। চীনের সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজি ইনস্টিটিউটের গবেষণা বিভাগের পরিচালক চিয়ান ফেংকে উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতকে সীমান্ত ইস্যুকে বড় ধরনের বিরোধে পরিণত করা থেকে বিরত থাকা উচিত। এ ধরনের পদক্ষেপ দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্কের উন্নতির ধারাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এর আগে শুক্রবার ভারত অরুণাচল প্রদেশের ২৭টি স্থানের নাম সরকারি মানচিত্রে তাদের প্রচলিত ভারতীয় নাম হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে। এসব স্থানের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ভূখণ্ড, পর্বত গিরিপথ, একটি হ্রদ ও একটি স্মৃতিস্তম্ভ। চীনের পক্ষ থেকে অরুণাচল প্রদেশের বিভিন্ন স্থানের নাম পরিবর্তনের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মধ্যেই ভারত এ পদক্ষেপ নিল।  চীনের দাবি, অরুণাচল প্রদেশ তাদের ভূখণ্ডের অংশ। ২০১৭ সাল থেকে চীনের বেসামরিক বিষয়ক মন্ত্রণালয় অঞ্চলটির বিভিন্ন স্থানের জন্য ছয় দফায় মোট ১১২টি মানসম্মত নাম প্রকাশ করেছে। এসব নামের মধ্যে গ্রাম, পর্বত গিরিপথ, নদী ও পর্বতের নাম রয়েছে। প্রতিটির সঙ্গে চীনা ও তিব্বতি নাম এবং ভৌগোলিক স্থানাঙ্কও দেওয়া হয়েছে। এপ্রিল মাসে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেছিলেন, চীন ভারত কর্তৃক অবৈধভাবে প্রতিষ্ঠিত তথাকথিত অরুণাচল প্রদেশকে স্বীকৃতি দেয় না। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, চীন-ভারত সম্পর্ক বর্তমানে মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে এবং সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়ে বেইজিংয়ের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি। চীনের সাংহাই ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর সাউথ এশিয়া অ্যান্ড ইন্ডিয়ান ওশান স্টাডিজের অধ্যাপক গুও শুয়েতাং বলেন, ২৭টি স্থানের নাম নির্ধারণ ভারতের একতরফা প্রশাসনিক পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে ওই এলাকার ওপর ভারতের নিয়ন্ত্রণের দাবি আরও জোরালো করার চেষ্টা করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতের সীমান্ত আলোচনায় অতিরিক্ত সুবিধা নেওয়ার পথ তৈরি করা হচ্ছে। তবে এ ধরনের পদক্ষেপের বাস্তব কোনো অর্থ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বরং এটি দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত আলোচনার পরিবেশ ও পারস্পরিক আস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে বলে চীনা সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। চীনের দাবি, সীমান্ত বিরোধ সমাধানের একমাত্র পথ হলো সমান মর্যাদার ভিত্তিতে আলোচনা এবং ঐতিহাসিক ও আইনগত নীতির আলোকে একটি ন্যায্য সমঝোতা। একতরফা পদক্ষেপের মাধ্যমে উত্তেজনা সৃষ্টি বা বর্তমান পরিস্থিতি পরিবর্তনের চেষ্টা দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা ও সীমান্ত স্থিতিশীলতার জন্য ক্ষতিকর বলেও বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।