শিরোনাম
ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, বাতিল ১০৩ অনাপত্তি সনদরাষ্ট্রীয় পুলিশ পদকের স্বীকৃতি পাচ্ছেন বাবুল আজাদ কঠিন সময়ে পাহাড়তলী থেকে ডবলমুরিং, চকবাজার হয়ে ডিবিতে; সাহস, মেধা ও পেশাদারিত্বে উজ্জ্বল এক পুলিশ কর্মকর্তার পথচলা-জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও নিত্যপণ্যের বাজারে বড় প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রীসতীশ বাবু লেইনের ভাইরাল ছিনতাই: মূলহোতা সাদ্দাম গ্রেফতারআন্তর্জাতিক মানদণ্ডে মানবিক পুলিশিংয়ের নতুন দিগন্ত আইসিআরসি ও এপিবিএনের যৌথ প্রশিক্ষণ: আইন প্রয়োগে মানবাধিকার, পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহিতায় হাসিব আজিজের নেতৃত্বে নতুন ভাবনাআমার ছেলেবেলা ৬ সেই রাতগুলো আজও মনে পড়েএপিবিএন: ইতিহাসের অগ্রযাত্রায় জিয়াউর রহমান থেকে আজিজুল হক, আজিজুল হক থেকে হাসিব আজিজ একটি বাহিনীর জন্ম, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ভাবনার বিবর্তন, দুই প্রজন্মের নেতৃত্ব এবং জননিরাপত্তার নতুন অঙ্গীকারবৃহত্তর চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের মহানগর কমিটির প্রথম সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত কালুরঘাট সেতু নির্মাণ, সিটি করপোরেশন নির্বাচন, জলাবদ্ধতা ও যানজট নিরসনসহ ১০ দফা নাগরিক ইস্যুতে কর্মসূচি গ্রহণের সিদ্ধান্তচট্টগ্রাম মেডিকেলে ইউনিট-২ চালুসহ ডেঙ্গু চিকিৎসা নিশ্চিতের দাবি পরিচালকের সঙ্গে বৃহত্তর চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের মতবিনিময় রোগী হয়রানি ও দালালচক্র বন্ধ, জনবল বৃদ্ধি এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম সচলের ওপর জোরযেসব কারণে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

― Advertisement ―

নকল ধরা পড়লে শিক্ষার্থীর পাশাপাশি কেন্দ্রপ্রধানের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী

Homeজাতীয়নকল ধরা পড়লে শিক্ষার্থীর পাশাপাশি কেন্দ্রপ্রধানের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী

আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থীর কাছে নকল পাওয়া গেলে শুধু ওই শিক্ষার্থী নয়, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধান বা কেন্দ্রপ্রধানকেও আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, সময়ের প্রয়োজন অনুযায়ী পরীক্ষা–সংক্রান্ত আইন সংশোধন করা হয়েছে এবং নকল ও প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে ঢাকা, ময়মনসিংহ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, প্রিটেস্ট ও টেস্ট পরীক্ষার পাশাপাশি প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের জন্য ইনহাউস কোচিংয়ের ব্যবস্থা রাখতে হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে শিক্ষকদের সম্মানী নির্ধারণের আহ্বান জানান তিনি। শিক্ষাজীবনে সময়ক্ষেপণ কমানোর লক্ষ্যে পরীক্ষা–সূচিতে পরিবর্তনের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, দুই বছরের কোর্স শেষ হওয়ার পরপরই পাবলিক পরীক্ষা আয়োজনের জন্য সরকার কাজ করছে। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে নেওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে। এছাড়া চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফল আগামী ২০ জুলাই প্রকাশের লক্ষ্য রয়েছে। আগামী ২ জুলাই শুরু হবে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা। তিনি বলেন, বর্তমানে একজন শিক্ষার্থী সাধারণত ছয় বছর বয়সে স্কুলে ভর্তি হয়ে ১৬ বছর বয়সে এসএসসি সম্পন্ন করে। এরপর উচ্চমাধ্যমিক শেষ করতেও দীর্ঘ সময় লেগে যায়। অতীতে পরীক্ষা গ্রহণ ও ফল প্রকাশে বিলম্বের কারণে একজন শিক্ষার্থীর উচ্চমাধ্যমিক পর্যায় শেষ করতে প্রায় ২০ বছর বয়স হয়ে যেত। এতে শিক্ষার্থীদের উৎপাদনশীল সময় নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি দেশের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরীক্ষা ও ফল প্রকাশের সময়কে আরও সমন্বিত করার উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান তিনি। ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি নির্ধারণে রমজান ও ঈদের বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হয়েছে। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মতামতের ভিত্তিতেই পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করা হবে। তবে নির্ধারিত পাঠ্যক্রম সম্পন্ন করেই পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরীক্ষায় অনিয়ম ও নকল প্রতিরোধে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নকলের ধরন পরিবর্তিত হয়েছে। তাই পাবলিক পরীক্ষা–সংক্রান্ত আইনও সংশোধন করা হয়েছে। কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নকল বা ডিজিটাল জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়া গেলে শুধু পরীক্ষার্থী নয়, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধানকেও জবাবদিহির আওতায় আনা হবে। প্রশ্নফাঁস রোধে সরকারের সক্রিয় ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, গত পরীক্ষায় তিনি নিজেই বিভিন্ন পর্যায়ে তদারকি করেছেন এবং সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করার চেষ্টা করেছেন। এবার সারা দেশে একক প্রশ্নপত্র ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। কোথাও প্রশ্নফাঁস বা অনিয়মের প্রমাণ মিললে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। খাতা মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায়ও পরিবর্তন আনার কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, আগে অনেক শিক্ষককে অতিরিক্ত সংখ্যক খাতা মূল্যায়নের দায়িত্ব দেওয়া হতো, যা সঠিক মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারত। এখন পরীক্ষকদের প্রশিক্ষণ বৃদ্ধি, পরীক্ষকের সংখ্যা বাড়ানো এবং সীমিত সংখ্যক খাতা মূল্যায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্যাম্পলিং পদ্ধতির মাধ্যমে মূল্যায়নের মানও পর্যবেক্ষণ করা হবে। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান, ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আক্তারুজ্জামান এবং বোর্ডের সচিব অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার।