
ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি পুনরায় শুরু হওয়ার খবরে দিনাজপুরের হিলিতে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। এতে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে ফিরে এসেছে স্বস্তি। আমদানিকারকরাও জানিয়েছেন, পেঁয়াজ আমদানির জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। চলতি বছরের ৩০ আগস্ট থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ থাকলেও রোববার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরের পর আবার আমদানি শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে। রোববার সকালে হিলির কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, দেশি মুড়িকাটা পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ টাকা কমে ১০০ টাকায় নেমেছে। দেশি শুকনো পেঁয়াজ কেজিতে ২০ টাকা কমে ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা জানান, আমদানির খবর ছড়িয়ে পড়ায় মোকাম পর্যায়ে দাম কমে গেছে, যার প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়েছে। পেঁয়াজ কিনতে আসা ক্রেতারা বলেন, হঠাৎ দামের বৃদ্ধি তাদের চাপে ফেলে। দেশের পেঁয়াজ ৫০–৬০ টাকা এবং আমদানিকৃত পেঁয়াজ ৩০ টাকার মধ্যে থাকলে সাধারণ মানুষের জন্য সুবিধা হয়। তারা অভিযোগ করেন, দেশীয় বাজারে কিছু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে দাম বাড়িয়ে দেয়, ফলে জনসাধারণ ভোগান্তিতে পড়ে। তাদের দাবি— নিয়মিত বাজার মনিটরিং করলে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। হিলি বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা শাকিল হোসেন বলেন, কয়েক দিন ধরে পেঁয়াজের দাম চড়া ছিল। তবে ভারত থেকে আমদানির খবরেই মোকামে দাম কমে গেছে। ফলে তারা কম দামে পেঁয়াজ কিনে খুচরা বাজারেও কমদামে বিক্রি করতে পারছেন। হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক শহিদুল ইসলাম জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিয়েছে, তবে সীমিত পরিসরে। প্রতিদিন ৫০ জন আমদানিকারক আইপি পাবেন এবং প্রত্যেকে সর্বোচ্চ ৩০ টন করে আমদানি করতে পারবেন। তার দাবি— পেঁয়াজ আমদানির আইপি উন্মুক্ত করে দিলে দেশে পেঁয়াজের দাম আরও কমে আসবে।


