ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতি: প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ কমিশনাররা যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে

0
141

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং একই দিনে অনুষ্ঠিতব্য গণভোটের তফসিল ও সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও অন্যান্য কমিশনাররা প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে আলোচনা করতে যমুনায় পৌঁছেছেন। রোববার (৭ ডিসেম্বর) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে নির্বাচন ভবন থেকে বের হন সিইসি এবং তার সঙ্গে অন্যান্য কমিশনাররা। তবে নির্বাচন কমিশন বা প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে বৈঠকের বিস্তারিত বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, বৈঠকে নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ, তফসিল ঘোষণার সময়সূচি এবং দেশব্যাপী গণভোট আয়োজনের প্রস্তুতি ও কর্মপরিকল্পনা আলোচনা করা হবে। এছাড়া নির্বাচন ও গণভোট চলাকালীন আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে নেওয়া পদক্ষেপও এ বৈঠকে আলোচিত হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠককে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং নির্বাচন প্রস্তুতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। বৈঠকের পরই রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন কমিশনাররা। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পরই নির্বাচন কমিশন যে কোনো দিন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করবে। এদিকে, নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহেই সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। তফসিল ঘোষণার দিন থেকে প্রতিটি উপজেলায় দুইজন করে ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। অন্তর্বর্তী সরকার ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাইয়ে জাতীয় সনদ সংক্রান্ত গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে। সাধারণত সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হয়। তবে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে থাকায় ভোটের সময় এক ঘণ্টা বাড়িয়ে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। শুরু থেকে কমিশনারদের প্রস্তুতি ছিল শুধুমাত্র সংসদ নির্বাচনের জন্য। এজন্য ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী নির্বাচনে ভোট গ্রহণের জন্য ৪২,৭৬১টি ভোটকেন্দ্র এবং ২,৪৪,৬৪৯টি ভোটকক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে। সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে গণভোটও একসাথে থাকায় একজন ভোটারকে দুটি ভোট দিতে হবে, যার ফলে ভোটের জন্য সময় বেশি লাগবে। এ কারণে ভোটকেন্দ্র বা ভোটকক্ষ বাড়ানো প্রয়োজন কিনা তা পরীক্ষা করতে সম্প্রতি রাজধানীর একটি ভোটকেন্দ্রে মক ভোটিং করা হয়েছিল। প্রাথমিক তথ্য বিশ্লেষণে ইসি জানিয়েছে, প্রতিটি ভোটকক্ষে একটির জায়গায় দুটি করে গোপন কক্ষ স্থাপন করলে ভোটকেন্দ্র বাড়ানো প্রয়োজন হবে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here