শিরোনাম
ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, বাতিল ১০৩ অনাপত্তি সনদরাষ্ট্রীয় পুলিশ পদকের স্বীকৃতি পাচ্ছেন বাবুল আজাদ কঠিন সময়ে পাহাড়তলী থেকে ডবলমুরিং, চকবাজার হয়ে ডিবিতে; সাহস, মেধা ও পেশাদারিত্বে উজ্জ্বল এক পুলিশ কর্মকর্তার পথচলা-জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও নিত্যপণ্যের বাজারে বড় প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রীসতীশ বাবু লেইনের ভাইরাল ছিনতাই: মূলহোতা সাদ্দাম গ্রেফতারআন্তর্জাতিক মানদণ্ডে মানবিক পুলিশিংয়ের নতুন দিগন্ত আইসিআরসি ও এপিবিএনের যৌথ প্রশিক্ষণ: আইন প্রয়োগে মানবাধিকার, পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহিতায় হাসিব আজিজের নেতৃত্বে নতুন ভাবনাআমার ছেলেবেলা ৬ সেই রাতগুলো আজও মনে পড়েএপিবিএন: ইতিহাসের অগ্রযাত্রায় জিয়াউর রহমান থেকে আজিজুল হক, আজিজুল হক থেকে হাসিব আজিজ একটি বাহিনীর জন্ম, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ভাবনার বিবর্তন, দুই প্রজন্মের নেতৃত্ব এবং জননিরাপত্তার নতুন অঙ্গীকারবৃহত্তর চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের মহানগর কমিটির প্রথম সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত কালুরঘাট সেতু নির্মাণ, সিটি করপোরেশন নির্বাচন, জলাবদ্ধতা ও যানজট নিরসনসহ ১০ দফা নাগরিক ইস্যুতে কর্মসূচি গ্রহণের সিদ্ধান্তচট্টগ্রাম মেডিকেলে ইউনিট-২ চালুসহ ডেঙ্গু চিকিৎসা নিশ্চিতের দাবি পরিচালকের সঙ্গে বৃহত্তর চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের মতবিনিময় রোগী হয়রানি ও দালালচক্র বন্ধ, জনবল বৃদ্ধি এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম সচলের ওপর জোরযেসব কারণে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

― Advertisement ―

সাম্প্রতিক হামলার প্রেক্ষিতে চট্টগ্রামে এনসিপির সমাবেশে কড়া নজরদারি,,,

Homeচট্টগ্রাম - রাজনীতিসাম্প্রতিক হামলার প্রেক্ষিতে চট্টগ্রামে এনসিপির সমাবেশে কড়া নজরদারি,,,

মোহাম্মদ ইব্রাহিম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সমাবেশকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম নগরীর বিপ্লব উদ্যানে নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। শনিবার (২০ জুলাই) সকাল থেকেই নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে এবং সমাবেশস্থলে কঠোর নজরদারি করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

পুলিশ জানায়, সম্প্রতি এনসিপির কিছু কর্মসূচিতে সংঘর্ষ ও সহিংসতার কারণে চট্টগ্রামে এবার নেওয়া হয়েছে বাড়তি সতর্কতা। সমাবেশকে ঘিরে হোটেল ও আশেপাশের এলাকায় মোতায়েন রয়েছে বিপুল সংখ্যক পুলিশ, র্যাব ও সোয়াট সদস্য।
ডগ স্কোয়াড দিয়ে হোটেলের তিনটি ফ্লোরসহ সমাবেশস্থল জুড়ে তল্লাশি চালানো হয়েছে। বিকেল পর্যন্ত পুরো এলাকায় চলে দফায় দফায় নিরাপত্তা বাহিনীর sweeপিং কার্যক্রম।

বিশেষ করে, যেখানে দলের কেন্দ্রীয় নেতারা অবস্থান করছেন, সে হোটেলে অনুমতি ছাড়া কারও প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গোটা এলাকা ঘেরাও করে রাখা হয়েছে পুলিশের কড়া নিরাপত্তা চাদরে।
নগরীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতেও চেকপোস্ট বসানো হয়েছে; সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি ও পরিচয় যাচাই করা হচ্ছে নিয়মিত।

এনসিপি নেতা ও কর্মীরা জানান, অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে এবার সমাবেশকে সামনে রেখে প্রশাসন ও দলীয় পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মাহমুদা বেগম ঢাকা পোস্টকে বলেন, “নেতারা যে হোটেলে অবস্থান করছেন, সেখানে ডগ স্কোয়াড দিয়ে টানা সুইপিং করা হয়েছে। সম্ভাব্য সব ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে বাড়তি পুলিশ ও সোয়াট মোতায়েন রয়েছে।”

প্রশাসনের একাধিক সূত্র জানায়, নগরীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঘিরে শহরের বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত টহল দিচ্ছে সোয়াট টিম।
পাশাপাশি, দ্রুত কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতে তারা সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে বলে জানান কর্মকর্তারা।

সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, সমাবেশ চলাকালে এবং শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত পুরো চট্টগ্রাম নগরী থাকবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারিতে।

এটি আপনি সরাসরি প্রকাশ করতে পারবেন। প্রয়োজনে নিজের তথ্য সংযোজন বা সংক্ষিপ্ত করার সুযোগ রয়েছে।