শিরোনাম
বিয়ের নিবন্ধনে অনলাইন জন্মনিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগনেশার টাকার জন্য স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধেআজকে স্বর্ণের বাজারদরট্রাফিক সপ্তাহ এলেও সিলেটে কমছে না যানজটআদ্-দ্বীনের অন্যান্য শাখা চালু থাকবে, জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রীঅপবাদ, বৈষম্য ও প্রত্যাবর্তনের গল্প ওসি জসিম উদ্দিনকে ঘিরে এক পেশাদার পুলিশ কর্মকর্তার সংগ্রাম এবং পুলিশ কমিশনার শওকত আলীর বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত-বকেয়া বেতনের দাবিতে মহাখালী-তেজগাঁও সড়ক অবরোধ, তীব্র যানজটনবম পে-স্কেল: চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রস্তুতি, বেতন-ভাতায় বড় পরিবর্তনের আভাসতিন দিন পর শূন্যরেখা থেকে ১২ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফসিলেটে হাম ও নিউমোনিয়ায় ৬৯ শিশুসহ ৭০ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ২৯৭

― Advertisement ―

বিয়ের নিবন্ধনে অনলাইন জন্মনিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ

বিয়ের নিবন্ধনের ক্ষেত্রে ম্যানুয়াল জন্মসনদের পরিবর্তে অনলাইন জন্মনিবন্ধন রেকর্ড বাধ্যতামূলক করতে ‘বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭’ সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সোমবার (১৫ জুন) জাতীয় সংসদে...

**মৃত্যুর পর জন্মদিনে জুবিনের প্রিয় বকুলগাছের ছায়ায় ভাস্কর্য উন্মোচন**

Homeবিনোদন**মৃত্যুর পর জন্মদিনে জুবিনের প্রিয় বকুলগাছের ছায়ায় ভাস্কর্য উন্মোচন**

আজ ভারতের প্রখ্যাত গায়ক, সুরকার ও অভিনেতা জুবিন গার্গের জন্মদিন। দুই মাস আগে সিঙ্গাপুরে তাঁর আকস্মিক মৃত্যু ঘটে। মৃত্যুর পর প্রথম জন্মদিনে ভক্তরা তাঁর বাড়িতে ভিড় জমিয়েছেন। ভোর থেকেই কাহিলিপাড়ার বাসস্থানে ভক্তরা উপস্থিত হতে শুরু করেন, কণ্ঠে ঝংকার করে তাঁর জনপ্রিয় গানগুলো। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ছাত্রসংগঠন ও ফ্যান ক্লাবও জন্মদিন উদ্‌যাপনে অংশ নেয়। সোমবার মধ্যরাত থেকেই ভক্তরা গুয়াহাটির বাড়ির সামনে সমবেত হয়ে কেক কেটে ও গান গেয়ে উদ্‌যাপন শুরু করেন। মঙ্গলবার সকালে জুবিনের বাবা ও স্ত্রী গরিমা গার্গ কেক কেটে অনুষ্ঠান শুরু করেন, এরপর জুবিনের একটি ভাস্কর্য উন্মোচন করা হয়। ভাস্কর্যটি জুবিনের প্রিয় বকুলগাছের পাশে স্থাপন হওয়ায় আবেগময় পরিবেশ সৃষ্টি হয়। পরিবার জানিয়েছে, ব্যক্তিগতভাবে এই স্থানটি জুবিনের কাছে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ভক্তরা তাঁর শেষকৃত্যের স্থান জুবিনক্ষেত্রেও জড়ো হয়ে প্রদীপ জ্বালিয়ে, ফুল দিয়ে এবং গান গেয়ে শ্রদ্ধা জানান। এ অনুষ্ঠান কাহিলিপাড়াতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; সোনাপুর ও সরুসজাইয়েও ভক্তরা মিলিত হয়। সোনাপুরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছাড়াও রক্তদান শিবির ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। জুবিন গার্গের জন্ম ১৯৭২ সালের ১৮ নভেম্বর এবং মৃত্যু হয় ১৯ সেপ্টেম্বর। সিঙ্গাপুরের সেন্ট জন’স দ্বীপ থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে সেখানকার জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। ৩৩ বছরের কর্মজীবনে জুবিন অসমীয়া, বাংলা, হিন্দি চলচ্চিত্রসহ বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি, আদি, বড়ো, ডিমাসা, গুজরাটি, কন্নড়, নেপালি, ওড়িয়া, তামিল, তেলেগু, উর্দুসহ ৪০টির বেশি ভাষা ও উপভাষায় গান গেয়ে শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছেন।