শিরোনাম
➤চট্টগ্রামের স্বার্থে একজন চেয়ারম্যানকে কাজ করতে দিন | নগর পরিকল্পনার কঠিন পথে বাধা নয়, চাই সত্য, প্রমাণ ও আইনের শাসন➤উৎপাদন বাড়লে হাতের নাগালে আসতে পারে ইলিশের দাম➤মিছিল থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ কর্মী আটক, ছাড়িয়ে নিলেন পথচারীরা➤ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন প্রক্রিয়া জেনে নিন➤বিশ্ববাজারে কমেছে তেলের দাম➤গুলশানে গাড়িচাপায় নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু: ৯ লাখ টাকায় আপস➤“ঝড়, বিতর্ক ও প্রত্যাবর্তন: কোতোয়ালী পেরিয়ে গুলশানে আবু জায়েদ নাজমুন নূর-একজন পেশাদার পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা প্রশ্নের সবচেয়ে শক্ত জবাব -নতুন দায়িত্ব, নতুন আস্থা, নতুন অধ্যায়””➤ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, বাতিল ১০৩ অনাপত্তি সনদ➤রাষ্ট্রীয় পুলিশ পদকের স্বীকৃতি পাচ্ছেন বাবুল আজাদ কঠিন সময়ে পাহাড়তলী থেকে ডবলমুরিং, চকবাজার হয়ে ডিবিতে; সাহস, মেধা ও পেশাদারিত্বে উজ্জ্বল এক পুলিশ কর্মকর্তার পথচলা-➤জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও নিত্যপণ্যের বাজারে বড় প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

― Advertisement ―

চট্টগ্রামের স্বার্থে একজন চেয়ারম্যানকে কাজ করতে দিন | নগর পরিকল্পনার কঠিন পথে বাধা নয়, চাই সত্য, প্রমাণ ও আইনের শাসন

মো. কামাল উদ্দিন:চট্টগ্রামকে ভালোবাসি বললেই চট্টগ্রামের জন্য কাজ করা হয় না। চট্টগ্রামের জন্য কাজ করতে হলে অনেক সময় জনপ্রিয়তার পথ ছেড়ে কঠিন সিদ্ধান্তের পথে...

৮ দিন পর বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট উৎপাদনে ফিরেছে

Homeআন্তর্জাতিক৮ দিন পর বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট উৎপাদনে ফিরেছে

যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে টানা ৮ দিন বন্ধ থাকার পর দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াটের প্রথম ইউনিট পুনরায় বিদ্যুৎ উৎপাদনে ফিরেছে। এ ইউনিট থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। ইউনিটটি চালু রাখতে দৈনিক ৬০০ থেকে ৮০০ টন কয়লার প্রয়োজন হবে। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ৯টার দিকে প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বক্কর সিদ্দিক। তিনি জানান, বিদ্যুৎকেন্দ্রটির তিনটি ইউনিটের মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ১২৫ মেগাওয়াট করে এবং তৃতীয় ইউনিটের ক্ষমতা ২৭৫ মেগাওয়াট। তবে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দ্বিতীয় ইউনিটটি ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে প্রায় পাঁচ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। এর আগে গত ৬ ডিসেম্বর বেলা পৌনে ১২টার দিকে প্রথম ইউনিটটি বন্ধ হয়ে গেলে কেন্দ্রটির সব ইউনিটের উৎপাদন কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে স্থগিত হয়ে যায়। দীর্ঘ ৮ দিন বন্ধ থাকার পর প্রয়োজনীয় মেরামত শেষে প্রথম ইউনিটটি আবার চালু করা হয়। উল্লেখ্য, এর আগেই গত ১৬ অক্টোবর সকাল ৮টা ৩৫ মিনিটে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ২৭৫ মেগাওয়াটের তৃতীয় ইউনিটটিও বন্ধ হয়ে যায়। প্রধান প্রকৌশলী আরও জানান, শনিবার দুপুর ২টার দিকে প্রথম ইউনিটের বয়লারে ফায়ারিং শুরু করা হয় এবং রাত পৌনে ৯টা থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। এছাড়া, তৃতীয় ইউনিটটির মেরামত কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে সেটিও পুনরায় বিদ্যুৎ উৎপাদনে ফিরবে।