শিরোনাম
প্রজ্ঞানন্দ স্মৃতি সংসদের বর্ষবরণ ও গুনীজন সংবর্ধনা সম্পন্নকোন দিকে ভিড়বে মনজুর আলমের রাজনীতির নৌকা?চবিতে নববর্ষ কনসার্টে ইংরেজি গান, সমালোচনার মুখে আয়োজকরাজিডিপি প্রবৃদ্ধি কমার আশঙ্কা, বাড়তে পারে মূল্যস্ফীতিতামিমকে সভাপতি হিসেবে পেয়ে ইতিবাচক দিক দেখছেন মিরাজপারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক ড্রোন বিধ্বস্তপুলিশের ওপর হামলা: যুবদল নেতাসহ গ্রেপ্তার ২হাম ও উপসর্গে দেশে আরও ৮ শিশুর মৃত্যুবিচারিক সিদ্ধান্তে চূড়ান্ত কর্তৃত্ব সুপ্রিম কোর্টের: আইনমন্ত্রীলাল-সবুজের স্বপ্নে কবিতার দীপ্তি—তরিকুল ইসলাম বিপুর কাব্যগ্রন্থ ‘লাল সবুজের জন্য’ মোড়ক উন্মোচন

― Advertisement ―

প্রজ্ঞানন্দ স্মৃতি সংসদের বর্ষবরণ ও গুনীজন সংবর্ধনা সম্পন্ন

রাউজান উপজেলার পুর্বআবুরখীল তালুকদারপাড়ায় অবস্থিত সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন প্রজ্ঞানন্দ স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে নববর্ষ বরণ, গুনীজন সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ প্রকৌশলী রানা বড়ুয়ার সঞ্চালনায়...

ওসি মোহাম্মদ সোলাইমান: পাঁচলাইশ থেকে বাকলিয়া—দক্ষ নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জনগণের নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতিশীল –

Homeচট্টগ্রামওসি মোহাম্মদ সোলাইমান: পাঁচলাইশ থেকে বাকলিয়া—দক্ষ নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জনগণের নিরাপত্তার...

– মো. কামাল উদ্দিন:
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজের নেতৃত্বে মহানগরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যেসব পুলিশ কর্মকর্তা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের মধ্যে পাঁচলাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রশংসনীয়। ওসি সোলাইমানের ব্যক্তিগত দক্ষতা, নিষ্ঠা এবং দায়িত্বপরায়ণতা তাকে পাঁচলাইশ থানার জনগণের কাছে একজন বিশ্বাসযোগ্য ও সমাদৃত পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সাংবাদিকতা বিষয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন সত্ত্বেও তিনি কলমের বদলে পুলিশের ইউনিফর্ম পরিধান করেছেন। সাংবাদিকতার প্রজ্ঞা তার পুলিশি কাজকে আরও শক্তিশালী করেছে; তিনি জানেন কখন শক্তি প্রয়োগ প্রয়োজন, কখন বুদ্ধি, কৌশল এবং মানুষের সাথে যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ। সোলাইমানের অধীনে পাঁচলাইশ থানার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে। তিনি জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করেন, যাতে পুলিশকে বন্ধুসুলভ ও সহায়ক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া যায়। তার লক্ষ্য কেবল অপরাধ দমন নয়, বরং এলাকার প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা ও স্বস্তি নিশ্চিত করা। গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ড ও সফল অভিযান: অপরাধ দমন ও গ্রেফতার: মাদকদ্রব্য, ছিনতাই, চাঁদাবাজি এবং সহিংস অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ। ২নং গেট এলাকায় ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড দ্রুত তদন্ত এবং অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার। অভিযানের সময় পুলিশকে কার্যকর কৌশল ও তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করা জনসচেতনতা ও জনগণের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন: জনগণকে অপরাধ শনাক্তকরণ, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ও সামাজিক সমস্যা সম্পর্কে সচেতন করতে নিয়মিত জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি।
পুলিশকে নাগরিকদের বন্ধু এবং সহায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠা। স্থানীয় স্কুল, কলেজ ও কমিউনিটি সেন্টারগুলোতে সেশন আয়োজন করে যুব সমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করা। সড়ক নিরাপত্তা ও দুর্ঘটনা প্রতিরোধ: নিয়মিত পেট্রোলিং, ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন এবং সচেতনতা বৃদ্ধি। দুর্ঘটনা কমানো এবং জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ। সড়ক দুর্ঘটনায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া ও জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করা। বিশেষ অভিযান ও বড় অপরাধী চক্রের ধ্বংস: মক্কি ভবনে ডাকাতি ও জিম্মি মামলা, তিন ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেফতার। চাঁদাবাজি ও অস্ত্রধারী অপরাধী মিঠুন চক্রবর্তীর গ্রেফতার। এই অভিযানগুলো থেকে পরিষ্কার প্রতীয়মান হয় যে, সোলাইমানের নেতৃত্বে পুলিশ সর্বদা সক্রিয়, প্রজ্ঞাশীল ও প্রতিক্রিয়াশীল। উল্লেখযোগ্য ঘটনা: মুরাদপুরে ছাত্রদের উপর হামলা ১৬ জুলাই ২০২৪,ছাত্র আন্দোলনের সময় সেলিম রহমান ও সহযোগীদের হাতে নিহত ও আহতরা। পুলিশ সক্রিয় পদক্ষেপে অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেফতার করে। ডাকাতি ও জিম্মি ঘটনা (৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, দুই ভিকটিমকে উদ্ধার এবং ডাকাত চক্র ধ্বংস। এই অভিযানের মাধ্যমে পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা আরও দৃঢ় হয়। চাঁদাবাজি ও অস্ত্রধারী গ্রেফতার ২২ ডিসেম্বর ২০২৪, মিঠুন চক্রবর্তীর গ্রেফতারে পুলিশের কার্যকারিতা ও জনগণের আস্থা বৃদ্ধি। ওসি সোলাইমান শুধুমাত্র অপরাধ দমন করেননি, বরং পুলিশের সেবা আরও জনমুখী, দক্ষ এবং সুশৃঙ্খল করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছেন। তার নেতৃত্বে পাঁচলাইশ থানা জনগণের জন্য নিরাপদ আশ্রয়স্থল, বিশ্বাসযোগ্য ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজ তার মেধা, নেতৃত্ব এবং নিষ্ঠার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে পাঁচলাইশ থানা থেকে বাকলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছেন। বিশেষ বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তিনি বাকলিয়াতেও একই দক্ষতা, প্রজ্ঞা এবং কৌশল দিয়ে থানার আইনশৃঙ্খলা এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। ওসি মোহাম্মদ সোলাইমানের উদ্ভাবনী নেতৃত্ব, কঠোর পরিশ্রম, সততা এবং জনকল্যাণমুখী দৃষ্টিভঙ্গি চট্টগ্রামের পুলিশ প্রশাসনের জন্য একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তার নেতৃত্বে স্থানীয় পুলিশ শুধুমাত্র অপরাধ দমন করছে না, বরং জনগণের সঙ্গে বিশ্বাস ও সমঝোতার ভিত্তিতে একটি নতুন সম্পর্ক গড়ে তুলছে।