শিরোনাম
জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও নিত্যপণ্যের বাজারে বড় প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রীসতীশ বাবু লেইনের ভাইরাল ছিনতাই: মূলহোতা সাদ্দাম গ্রেফতারআন্তর্জাতিক মানদণ্ডে মানবিক পুলিশিংয়ের নতুন দিগন্ত আইসিআরসি ও এপিবিএনের যৌথ প্রশিক্ষণ: আইন প্রয়োগে মানবাধিকার, পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহিতায় হাসিব আজিজের নেতৃত্বে নতুন ভাবনাআমার ছেলেবেলা ৬ সেই রাতগুলো আজও মনে পড়েএপিবিএন: ইতিহাসের অগ্রযাত্রায় জিয়াউর রহমান থেকে আজিজুল হক, আজিজুল হক থেকে হাসিব আজিজ একটি বাহিনীর জন্ম, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ভাবনার বিবর্তন, দুই প্রজন্মের নেতৃত্ব এবং জননিরাপত্তার নতুন অঙ্গীকারবৃহত্তর চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের মহানগর কমিটির প্রথম সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত কালুরঘাট সেতু নির্মাণ, সিটি করপোরেশন নির্বাচন, জলাবদ্ধতা ও যানজট নিরসনসহ ১০ দফা নাগরিক ইস্যুতে কর্মসূচি গ্রহণের সিদ্ধান্তচট্টগ্রাম মেডিকেলে ইউনিট-২ চালুসহ ডেঙ্গু চিকিৎসা নিশ্চিতের দাবি পরিচালকের সঙ্গে বৃহত্তর চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের মতবিনিময় রোগী হয়রানি ও দালালচক্র বন্ধ, জনবল বৃদ্ধি এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম সচলের ওপর জোরযেসব কারণে বাড়ল জ্বালানি তেলের দামহামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১ হাজার ৩০৫“ইউনিফর্মের আড়ালে যে মানুষটিকে আমি দেখেছি জাহিদুল কবির—কঠোর দায়িত্বের ভেতরে নরম এক হৃদয়ের গল্প-

― Advertisement ―

জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও নিত্যপণ্যের বাজারে বড় প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে...

চরের সন্তানদের সঙ্গে বিয়ে করাতে নারাজ অনেকে

Homeআন্তর্জাতিকচরের সন্তানদের সঙ্গে বিয়ে করাতে নারাজ অনেকে

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের জয়েনপুর-পুরান লক্ষ্মীপুর এলাকার মরা ঘাটের দ্বীপচরে বসবাস করে কয়েকটি পরিবার। চারদিক নদী-খালবেষ্টিত এই দ্বীপে নেই কোনো সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা। অন্যের জমির আইল ধরে দুই শত মিটার হেঁটে যেতে হয় প্রধান সড়ক পর্যন্ত, মাঝপথে রয়েছে বিশাল এক খাল—যা পারাপারের একমাত্র মাধ্যম ড্রামের ভেলা। এভাবে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাফেরা করতে হয় স্থানীয়দের। যোগাযোগব্যবস্থার এমন দুরবস্থায় দ্বীপচরের সন্তানদের সঙ্গে বিয়ে করাতে অনীহা প্রকাশ করেছেন অনেকেই। নির্ধারিত বিয়েও ভেঙে যাচ্ছে কেবল এই দুর্ভোগের কারণে। বুধবার (২৯ অক্টোবর) সরেজমিনে দেখা যায়, বকশীরদহ খালের ওপর ড্রামের ভেলায় ঝুঁকি নিয়ে পার হচ্ছেন শিক্ষার্থী, নারী ও পুরুষরা। তাদের অভিযোগ, এই ভেলা-ভিত্তিক চলাচলই তাদের নিত্যসঙ্গী। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, একসময় ঘাঘট নদীর ধার ঘেঁষে ছিল পুরান লক্ষ্মীপুর গ্রাম। নদীর গতিপথ বদলে যাওয়ার পর ওই স্থানেই সৃষ্টি হয় মরা নদীর দহ—যা এখন পরিচিত ‘বকশীরদহ’ নামে। দহের ওপারে বসবাসরত পরিবারগুলোর কোনো রাস্তা বা সেতু নেই। ফলে দৈনন্দিন চলাচল, কৃষিকাজ, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার ক্ষেত্রেও তারা মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়েন। স্থানীয় বাসিন্দা সৈয়দ আলী বলেন, “শুধু সেতু নয়, রাস্তাঘাটও নেই। ড্রামের ভেলায় খাল পার হয়ে অন্যের জমির আইল ধরে মূল সড়কে উঠতে হয়। আমরা দ্রুত সেতু ও রাস্তা নির্মাণের দাবি জানাই।” দ্বীপচরের আরেক বাসিন্দা রবিউল ইসলাম জানান, “স্বাস্থ্য, শিক্ষা বা বাজার—সব কিছুতেই যেতে হয় ড্রামের ভেলায়। জনপ্রতিনিধিদের অনেকবার জানিয়েও কোনো সমাধান মেলেনি। এমন পরিস্থিতিতে আমাদের ছেলে-মেয়েদের বিয়ে দিতে প্রচণ্ড কষ্ট হয়, অনেক বিয়েই এ কারণে ভেঙে যায়।” বর্ষায় কিছু পরিবার নিজেরাই টাকায় বাঁশের সাঁকো বা ড্রামের ভেলা বানিয়ে নেয়, কিন্তু তাতেও ঝুঁকি থেকে যায়। স্থানীয় শরিফুল ইসলাম বলেন, “বকশীরদহের ওপর সেতু নির্মাণের দাবি বহুবার জানানো হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি।” জয়েনপুর গ্রামের কৃষক আলমগীর হোসেন বলেন, “দহের ওপারে শতাধিক হেক্টর জমিতে ধান-সবজি চাষ হয়। কিন্তু উৎপাদিত ফসল আনা খুবই কষ্টসাধ্য। এতে অনেক সময় উৎপাদন ব্যাহত হয়। সেতু নির্মাণ এখন সময়ের দাবি।” বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল কাইয়ুম হুদা জানান, “ওই এলাকার দুর্ভোগের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।”