শিরোনাম
চট্টগ্রামের স্বার্থে একজন চেয়ারম্যানকে কাজ করতে দিন | নগর পরিকল্পনার কঠিন পথে বাধা নয়, চাই সত্য, প্রমাণ ও আইনের শাসনউৎপাদন বাড়লে হাতের নাগালে আসতে পারে ইলিশের দামমিছিল থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ কর্মী আটক, ছাড়িয়ে নিলেন পথচারীরাভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন প্রক্রিয়া জেনে নিনবিশ্ববাজারে কমেছে তেলের দামগুলশানে গাড়িচাপায় নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু: ৯ লাখ টাকায় আপস“ঝড়, বিতর্ক ও প্রত্যাবর্তন: কোতোয়ালী পেরিয়ে গুলশানে আবু জায়েদ নাজমুন নূর-একজন পেশাদার পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা প্রশ্নের সবচেয়ে শক্ত জবাব -নতুন দায়িত্ব, নতুন আস্থা, নতুন অধ্যায়””ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, বাতিল ১০৩ অনাপত্তি সনদরাষ্ট্রীয় পুলিশ পদকের স্বীকৃতি পাচ্ছেন বাবুল আজাদ কঠিন সময়ে পাহাড়তলী থেকে ডবলমুরিং, চকবাজার হয়ে ডিবিতে; সাহস, মেধা ও পেশাদারিত্বে উজ্জ্বল এক পুলিশ কর্মকর্তার পথচলা-জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও নিত্যপণ্যের বাজারে বড় প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

― Advertisement ―

চট্টগ্রামের স্বার্থে একজন চেয়ারম্যানকে কাজ করতে দিন | নগর পরিকল্পনার কঠিন পথে বাধা নয়, চাই সত্য, প্রমাণ ও আইনের শাসন

মো. কামাল উদ্দিন:চট্টগ্রামকে ভালোবাসি বললেই চট্টগ্রামের জন্য কাজ করা হয় না। চট্টগ্রামের জন্য কাজ করতে হলে অনেক সময় জনপ্রিয়তার পথ ছেড়ে কঠিন সিদ্ধান্তের পথে...

চাটগাঁইয়া হতায় উচ্চারিত স্বপ্ন ও সত্য—ড. ইউনুসের আগমন উপলক্ষে নাগরিক কণ্ঠে গর্জে উঠলেন মহাসচিব মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন””

HomeUncategorizedচাটগাঁইয়া হতায় উচ্চারিত স্বপ্ন ও সত্য—ড. ইউনুসের আগমন উপলক্ষে নাগরিক কণ্ঠে গর্জে...

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের কাঠের নরম আলো ছায়া ফেলে রেখেছে এক গভীর মুহূর্তে—ক্যামেরার ফ্রেমে ধরা পড়লো সত্য ও স্পর্ধার মুখ। সামনে দাঁড়িয়ে আছেন চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের মহাসচিব মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন। তাঁর হাতে বলিষ্ঠ ভঙ্গি, চোখে প্রত্যয়, কণ্ঠে চাটগাঁইয়া ভাষার সহজ-অকপট প্রবাহ।
ড. মুহাম্মদ ইউনুসের চট্টগ্রাম আগমনকে কেন্দ্র করে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের ভেতরে তিনি যেন হয়ে উঠেছিলেন এক প্রতীক—সত্যভাষণের, নাগরিক চেতনার, ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থানের। সিএন বাংলা টিভির তরুণ রিপোর্টার প্রশ্ন করছিলেন পরপর, আর আপনি উত্তর দিচ্ছিলেন এমন এক স্বরে, যেখানে ইতিহাস, যন্ত্রণার দীর্ঘ ধ্বনি, আর প্রতিরোধের আগুন একাকার হয়ে গিয়েছিল। আপনি বলছিলেন, “আঁরা চাটগাঁইয়া, মাথা নোয়াইবার জাত না। ড. ইউনুসের মতো বিশ্বমানের একজন সম্মানিত মানুষ যখন চট্টগ্রামে আসেন, তখন কেবল অভ্যর্থনা নয়—আমরা তাঁরে লইয়া গর্ব করবার লাইগ্যা প্রস্তুত। চট্টগ্রামের দাবি চাটগাঁইয়া হতায় তুলবার এইটোই সময়।” এ সাক্ষাৎকার আর দশটা বক্তব্যের মতো নয়—এটি ছিল হৃদয়ের গভীর থেকে উৎসারিত এক নিঃশব্দ প্রতিজ্ঞা, যেখানে উচ্চারিত হচ্ছিল: “এই শহর আর পিছাইয়া থাকবো না। এই শহর চাই ন্যায্য সম্মান, স্বকীয়তা আর স্বপ্নপূরণের অধিকার।”
চট্টগ্রামের পাথুরে পথে যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে হাঁটছেন, তাঁদের চোখে এক চেনা জ্যোতি দেখা গেল আপনার মুখে। আপনিই সেই কণ্ঠ, যিনি লড়ছেন উন্নয়ন, ন্যায়বিচার ও নৈতিকতার পক্ষে। যিনি চাটগাঁইয়া ভাষার আঞ্চলিকতায় বিশ্বজনীন বার্তা তুলে ধরতে জানেন।
এই ছবিটি তাই শুধু এক সাক্ষাৎকার নয়—এ এক আলোকচিত্র, যা ধারণ করে রেখেছে চট্টগ্রামের আত্মা, একজন সচেতন নাগরিক নেতার স্বর, এবং ইতিহাসের এক চলমান প্রহর।