শিরোনাম
তোফায়েল আহমেদ ও রক্ষীবাহিনী প্রসঙ্গে ইতিহাসের বহুমাত্রিক পাঠ, প্রেক্ষাপট ও বিতর্কের রাজনীতিঃবাঙালি মুসলমানদের ইংরেজি সাংবাদিকতার পথিকৃৎ: শাহ মোহাম্মদ বদিউল আলম ও ব্যারিস্টার আবদুর রসুলের গৌরবগাথা নবজাগরণ, শিক্ষা আন্দোলন ও মুসলিম সাংবাদিকতার এক বিস্মৃত ইতিহাস“নজরুল চর্চাই গড়ে তুলবে মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও আলোকিত প্রজন্ম”ঈদের আনন্দে হৃদয়ের পুনর্মিলন: কক্সবাজার ক্লাব লিমিটেডের সৌহার্দ্যের মহাসম্মিলন-জেলা গোয়েন্দা শাখা ও জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ এর যৌথ অভিযানে আন্তঃজেলা দুর্ধর্ষ ডাকাত ২৯ মামলার আসামি মোঃ নুর নবীসহ ৩ ডাকাত গ্রেফতারকুরবানি : আধ্যাত্মিক তাৎপর্য ও তরিকায়ে মাইজভান্ডারীয়াক্লিকবেট সাংবাদিকতার আগ্রাসন ও আস্থার সংকট: গণমাধ্যমের নৈতিক পুনর্জাগরণ এখন সময়ের অনিবার্য দাবিবিপণিবিতানে ক্রেতা কম, ফুটপাতেই বেশি ভিড়বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সব থেকে স্বাধীন : আইনমন্ত্রীঈদে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকবে

― Advertisement ―

তোফায়েল আহমেদ ও রক্ষীবাহিনী প্রসঙ্গে ইতিহাসের বহুমাত্রিক পাঠ, প্রেক্ষাপট ও বিতর্কের রাজনীতিঃ

-মো.কামাল উদ্দিন বাংলাদেশের ইতিহাস এমন এক প্রবাহ, যেখানে ব্যক্তি, রাষ্ট্র, যুদ্ধ, সংগ্রাম এবং রাজনৈতিক মতাদর্শ একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। এই ইতিহাসে কিছু অধ্যায় আছে...

দুবাইয়ে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন

Homeআন্তর্জাতিকদুবাইয়ে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন

সাইফুল ইসলাম তালুকদার, ইউএই :
বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, দুবাই-এ যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, শনিবার প্রত্যুষে কনসাল জেনারেল জনাব মোঃ রাশেদুজ্জামান জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও অর্ধনমিতকরণের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির সূচনা করেন। এরপর দেশ ও জাতির কল্যাণের উদ্দেশ্যে দোয়া ও মোনাজাত করা হয় এবং কনসাল জেনারেল-এর নেতৃত্বে কনস্যুলেটের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে অবস্থিত অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অপর্ণ করেন। এ সময় দুবাই ও উত্তর আমিরাতের বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও জনতা ব্যাংক-এর কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ এবং বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবি সংগঠনের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন এবং নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের পক্ষ হতে শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। অপরাহ্নে কনস্যুলেট মিলনায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভার শুরুতে ভাষা শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। এরপর দিবসটি উপলক্ষ্যে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী এবং মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্তৃক প্রেরিত বাণীসমূহ পাঠ করে শোনানো হয়। মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ এবং সাংবাদিকসহ বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।  কনসাল জেনারেল জনাব মোঃ রাশেদুজ্জামান তার বক্তব্যে ২১ ফেব্রুয়ারিকে বাংলাদেশের জনগণের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, নিজেদের অধিকার এবং সমাজে সমতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে লড়াইয়ের এক মূর্ত প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বলেন যে, একুশের চেতনা আমাদের সকল সংগ্রামের প্রেরণা হিসেবে শক্তি জুগিয়েছে। তিনি আরব আমিরাতে বসবাসরত প্রবাসীদের বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির প্রসারে কাজ করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মাঝে দেশ ও দেশের সংস্কৃতিকে পরিচয় করার লক্ষ্যে উৎসাহিত করেন। তিনি একটি সুখী, সমৃদ্ধ এবং উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে একযোগে কাজ করার লক্ষ্যে সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।