শিরোনাম
“ঝড়, বিতর্ক ও প্রত্যাবর্তন: কোতোয়ালী পেরিয়ে গুলশানে আবু জায়েদ নাজমুন নূর-একজন পেশাদার পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা প্রশ্নের সবচেয়ে শক্ত জবাব -নতুন দায়িত্ব, নতুন আস্থা, নতুন অধ্যায়””ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, বাতিল ১০৩ অনাপত্তি সনদরাষ্ট্রীয় পুলিশ পদকের স্বীকৃতি পাচ্ছেন বাবুল আজাদ কঠিন সময়ে পাহাড়তলী থেকে ডবলমুরিং, চকবাজার হয়ে ডিবিতে; সাহস, মেধা ও পেশাদারিত্বে উজ্জ্বল এক পুলিশ কর্মকর্তার পথচলা-জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও নিত্যপণ্যের বাজারে বড় প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রীসতীশ বাবু লেইনের ভাইরাল ছিনতাই: মূলহোতা সাদ্দাম গ্রেফতারআন্তর্জাতিক মানদণ্ডে মানবিক পুলিশিংয়ের নতুন দিগন্ত আইসিআরসি ও এপিবিএনের যৌথ প্রশিক্ষণ: আইন প্রয়োগে মানবাধিকার, পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহিতায় হাসিব আজিজের নেতৃত্বে নতুন ভাবনাআমার ছেলেবেলা ৬ সেই রাতগুলো আজও মনে পড়েএপিবিএন: ইতিহাসের অগ্রযাত্রায় জিয়াউর রহমান থেকে আজিজুল হক, আজিজুল হক থেকে হাসিব আজিজ একটি বাহিনীর জন্ম, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ভাবনার বিবর্তন, দুই প্রজন্মের নেতৃত্ব এবং জননিরাপত্তার নতুন অঙ্গীকারবৃহত্তর চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের মহানগর কমিটির প্রথম সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত কালুরঘাট সেতু নির্মাণ, সিটি করপোরেশন নির্বাচন, জলাবদ্ধতা ও যানজট নিরসনসহ ১০ দফা নাগরিক ইস্যুতে কর্মসূচি গ্রহণের সিদ্ধান্তচট্টগ্রাম মেডিকেলে ইউনিট-২ চালুসহ ডেঙ্গু চিকিৎসা নিশ্চিতের দাবি পরিচালকের সঙ্গে বৃহত্তর চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের মতবিনিময় রোগী হয়রানি ও দালালচক্র বন্ধ, জনবল বৃদ্ধি এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম সচলের ওপর জোর

― Advertisement ―

“ঝড়, বিতর্ক ও প্রত্যাবর্তন: কোতোয়ালী পেরিয়ে গুলশানে আবু জায়েদ নাজমুন নূর-একজন পেশাদার পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা প্রশ্নের সবচেয়ে শক্ত জবাব -নতুন দায়িত্ব, নতুন আস্থা,...

মো. কামাল উদ্দিনঃ পুলিশের পোশাক রাষ্ট্রীয় আইন, শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও জনগণের আস্থার প্রতীক। এই দায়িত্বে ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের চেয়ে বড় হয়ে ওঠে রাষ্ট্র ও মানুষের প্রতি...

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ, ৬ লেনের দাবিতে আন্দোলন

Homeচট্টগ্রামচট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ, ৬ লেনের দাবিতে আন্দোলন

সাতকানিয়া উপজেলার বাসিন্দারা চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত করার দাবিতে রোববার (৩০ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে কেরানিহাট এলাকায় সড়ক অবরোধ করেছেন। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিক্ষোভকারীরা জানান, মহাসড়কটি প্রতিদিন দুর্ঘটনার জন্য ‘মৃত্যুফাঁদ’ হিসেবে পরিচিত। বারবার দাবি ও অনুরোধ জানালেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি, তাই বাধ্য হয়ে তারা এই ব্লকেড কর্মসূচি পালন করছেন। আন্দোলনকারীরা বলেন, এই সড়ক শুধু স্থানীয়দের জন্য নয়; দেশের অর্থনীতি, পর্যটন এবং রোহিঙ্গাদের মানবিক ত্রাণ পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন লক্ষাধিক মানুষ কক্সবাজারে যাতায়াত করেন। তবুও মহাসড়কটি অনেক অংশে গ্রামের গলির চেয়েও সংকীর্ণ। প্রতিটি দুর্ঘটনার পর কর্তৃপক্ষ সড়ক প্রশস্ত করার আশ্বাস দিলেও বাস্তবে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। আন্দোলনকারী আকাশ চৌধুরী বলেন, “প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে। সড়কটি সংকীর্ণ হওয়ায় প্রাণহানি হচ্ছে। আমরা দ্রুত চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত করার দাবি জানাচ্ছি।” স্থানীয় ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম বলেন, “সড়কটি অত্যন্ত ব্যস্ত হওয়ায় প্রতিদিন যানজট, দুর্ঘটনা ও হতাহতের ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মধ্যে যাতায়াত বৃদ্ধির কারণে সড়কটি দ্রুত ৬ লেনে উন্নীত করা জরুরি।” আন্দোলনকারী আলমগীর সাকিব যোগ করেন, “৬ লেনে উন্নীত হলে পণ্য পরিবহন সহজ হবে, পর্যটন শিল্পের উন্নতি হবে এবং সাধারণ মানুষের সময় ও অর্থ বাঁচবে। একই সঙ্গে দুর্ঘটনা কমে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।” কেরানিহাট হাইওয়ের ট্রাফিক ইনচার্জ নরুল আলম বলেন, “ব্লকেড কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা অবরোধ তুলে নেবে। আমরা সার্বক্ষণিক সেবা প্রদানে প্রস্তুত।” সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মাহমুদুল হাসান জানান, “প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ পাঠানো হবে। জনদুর্ভোগ কমাতে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের উদ্যোগ নেব।” উল্লেখ্য, একই দাবিতে এ বছরের ৬ এপ্রিল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করা হয় এবং স্মারকলিপি প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রদান করা হয়। ১১ এপ্রিল সড়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানকেও স্মারকলিপি দেওয়া হয়। তবে বাস্তব পদক্ষেপ না থাকায় এলাকাবাসী পুনরায় আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছেন।