শিরোনাম
ফটিকছড়িতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ টেস্টার মোবারক গ্রেপ্তারযাত্রাবাড়ীতে ২১৫ গ্রাম গাঁজাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তারশেখ হাসিনার পতন, দেশত্যাগ, এবং ভবিষ্যতের রাজনীতিঃএক বছর আগে যে আলো দেখেছিলাম হাসিব আজিজ—চট্টগ্রামের কমিশনার থেকে অতিরিক্ত আইজিপি, এপিবিএন প্রধানসমাজের নৈতিক পরিবর্তনে সীরত মাহফিলের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণএপিবিএনকে আরও বিস্তৃত ক্ষমতা দিতে নতুন আইন হচ্ছেবিমানবন্দর এলাকায় ছিনতাইয়ের সময় একজন গ্রেপ্তারআধুনিক চিকিৎসাসেবায় নতুন আস্থার ঠিকানা চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালতখন এস আলমের নাম নেওয়াই ছিল অপরাধ—আজ ফেসবুকের স্মৃতিতে ফিরে এলো আমার সেই সাহসী লেখা এস আলম গ্রুপকে বাঁচানোর সেই আর্তনাদ, চট্টগ্রামের শিল্প-অর্থনীতি ও আমার বিবেকের দায়-মরুর বুকে ভ্রমণের গল্প, শব্দে শব্দে জীবনের মুগ্ধতা

― Advertisement ―

ফটিকছড়িতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ টেস্টার মোবারক গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ মো. মোবারক হোসেন ওরফে টেস্টার মোবারক (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে...

**ছাত্রদল কর্মী সাজ্জাদ হত্যায় গ্রেপ্তার ৮**

Homeচট্টগ্রাম**ছাত্রদল কর্মী সাজ্জাদ হত্যায় গ্রেপ্তার ৮**

চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়ায় দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে ছাত্রদল কর্মী মো. সাজ্জাদ নিহত হওয়ার ঘটনায় পুলিশ আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) গভীর রাত থেকে ভোর পর্যন্ত চট্টগ্রাম নগরী ও সংলগ্ন এলাকায় অভিযানে আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনার আগের দিন, সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাত পৌনে ১টার দিকে বাকলিয়া থানার সৈয়দ শাহ রোডের মদিনা আবাসিকের সামনে এক্সেস রোডে দু’গ্রুপের মধ্যে ধারাবাহিক গোলাগুলি সংঘটিত হয়। এতে ২৩ বছর বয়সী ছাত্রদল কর্মী মো. সাজ্জাদ নিহত হন এবং অন্তত ১৩ জন আহত হন। নিহত সাজ্জাদ চসিক মেয়র ও নগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেনের অনুসারী ছিলেন এবং নগর যুবদলের বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশার গ্রুপের সদস্য ছিলেন। তার বাড়ি বাকলিয়ার তক্তারপুল এলাকায় এবং পারিবারিক বাড়ি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলায়। গ্রেপ্তার আটজনের মধ্যে ছয়জনের নাম মামলার এজাহারে উল্লেখ আছে। তারা হলেন—সবুজ ইসলাম মিরাজ (২৪), সাইদুল ইসলাম (২০), এমরান হোসেন সাগর (৩০), তামজিদুল ইসলাম সাজু (৪৭), মো. আরাফাত (২২) ও জিহান (২২)। এদের মধ্যে সাইদুল ছাড়া বাকি সবাই দক্ষিণ চট্টগ্রামের বাসিন্দা। এছাড়া তদন্তে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততা পাওয়ায় মো. ওসমান (২৮) ও দিদারুল আলম রাসেল (২৪)কেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সাজ্জাদ খুনের ঘটনায় তার বাবা মোহাম্মদ আলম মঙ্গলবার রাতে বাকলিয়া থানায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত আরও ৩৫–৪০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। বাকলিয়া থানার ওসি ইখতিয়ার উদ্দিন জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের পর আমরা ঘটনাস্থল থেকে ভিডিও ফুটেজসহ বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করি এবং অভিযানে নামি। হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মামলা দায়ের হয়। এরপর নগরীর বাকলিয়া ও আশপাশের এলাকা, পটিয়া, সাতকানিয়া ও বাঁশখালীর বিভিন্ন স্থানে একাধিক টিম একযোগে অভিযান চালিয়ে রাতের মধ্যেই আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের সবাইকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।