শিরোনাম
➤চট্টগ্রামের স্বার্থে একজন চেয়ারম্যানকে কাজ করতে দিন | নগর পরিকল্পনার কঠিন পথে বাধা নয়, চাই সত্য, প্রমাণ ও আইনের শাসন➤উৎপাদন বাড়লে হাতের নাগালে আসতে পারে ইলিশের দাম➤মিছিল থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ কর্মী আটক, ছাড়িয়ে নিলেন পথচারীরা➤ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন প্রক্রিয়া জেনে নিন➤বিশ্ববাজারে কমেছে তেলের দাম➤গুলশানে গাড়িচাপায় নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু: ৯ লাখ টাকায় আপস➤“ঝড়, বিতর্ক ও প্রত্যাবর্তন: কোতোয়ালী পেরিয়ে গুলশানে আবু জায়েদ নাজমুন নূর-একজন পেশাদার পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা প্রশ্নের সবচেয়ে শক্ত জবাব -নতুন দায়িত্ব, নতুন আস্থা, নতুন অধ্যায়””➤ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, বাতিল ১০৩ অনাপত্তি সনদ➤রাষ্ট্রীয় পুলিশ পদকের স্বীকৃতি পাচ্ছেন বাবুল আজাদ কঠিন সময়ে পাহাড়তলী থেকে ডবলমুরিং, চকবাজার হয়ে ডিবিতে; সাহস, মেধা ও পেশাদারিত্বে উজ্জ্বল এক পুলিশ কর্মকর্তার পথচলা-➤জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও নিত্যপণ্যের বাজারে বড় প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

― Advertisement ―

চট্টগ্রামের স্বার্থে একজন চেয়ারম্যানকে কাজ করতে দিন | নগর পরিকল্পনার কঠিন পথে বাধা নয়, চাই সত্য, প্রমাণ ও আইনের শাসন

মো. কামাল উদ্দিন:চট্টগ্রামকে ভালোবাসি বললেই চট্টগ্রামের জন্য কাজ করা হয় না। চট্টগ্রামের জন্য কাজ করতে হলে অনেক সময় জনপ্রিয়তার পথ ছেড়ে কঠিন সিদ্ধান্তের পথে...

মাকে মারধরের ঘটনায় ছেলেকে কোমর পর্যন্ত মাটিতে পুঁতে রাখল এলাকাবাসী

Homeআন্তর্জাতিকমাকে মারধরের ঘটনায় ছেলেকে কোমর পর্যন্ত মাটিতে পুঁতে রাখল এলাকাবাসী

যে সন্তানের কথা ছিল মায়ের আশ্রয় ও ভরসা হয়ে দাঁড়ানোর, সেই সন্তানই যখন মায়ের ওপর চালায় নির্মম নির্যাতন—তখন সমাজও নীরব থাকতে পারে না। গাজীপুরের শ্রীপুরে ঘটেছে এমনই এক হৃদয়বিদারক ও ব্যতিক্রমী ঘটনা, যা পুরো এলাকায় তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ি গ্রামে মাদকাসক্ত ছেলের দীর্ঘদিনের নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে এলাকাবাসী দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ নেয়। নেশার জন্য টাকা না পেয়ে খলিল (৩২) নামের ওই ব্যক্তি তার মা খোদেজা খাতুনকে ইট ও লাঠি দিয়ে মারধর করে পা থেঁতলে দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় মাকে উদ্ধার করা হয়। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকালে এই ঘটনাটি ঘটে। মায়ের আর্তচিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে খলিল মাদকাসক্ত হয়ে মায়ের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিল। একাধিকবার গ্রাম্য সালিশ ও মুচলেকা দিয়েও তার আচরণে কোনো পরিবর্তন আসেনি। চরম ক্ষোভ ও অসহায়তার মধ্যে, মায়ের সম্মতি নিয়েই এলাকাবাসী স্থানীয় একটি সড়কের পাশে বুকসমান গর্ত করে খলিলকে কোমর পর্যন্ত মাটিতে পুঁতে রাখে। প্রায় এক ঘণ্টা পর সে নিজেই মাটি সরিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে এলাকাবাসী তাকে আটকে রাখে। ঘটনার পর পুরো টেপিরবাড়ি গ্রামে উত্তেজনা ও চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে। নেশার সর্বনাশা প্রভাব এবং পারিবারিক বন্ধন ভেঙে পড়ার এমন দৃশ্য এলাকাবাসীর জন্য হয়ে উঠেছে এক শিউরে ওঠা বাস্তবতা।