শিরোনাম
“সন্ত্রাসের সামনে আপসহীন ওসি আবদুর রহিম—খুলশীতে আইনের শাসনের নতুন বার্তা”চরণদ্বীপে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভাচরনদ্বীপে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভাঢাকা–কক্সবাজার আকাশপথে ভাড়ার নৈরাজ্য বন্ধ করুন | “পর্যটন রাজধানীকে জিম্মি করে বিমানভাড়া বাড়ানোর সুযোগ দেওয়া যায় না” | সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি কক্সবাজার ক্লাব লিমিটেডেরদূরের দেশ, কাছের মানুষ—মুনা উইলসনের সঙ্গে শারজাহ বিমানবন্দরে দুই ঘণ্টার মায়াবী সাক্ষাৎ দূরের দেশ, কাছের মানুষ-দেশে সংকটের মাঝে মিয়ানমারে পাচার হচ্ছে সারবন্যায় জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত, বাংলাদেশে নেপালের বিদ্যুৎ রপ্তানি বন্ধরেলওয়ের তিন শীর্ষ পদে বড় রদবদলইস্টার্ন রিফাইনারি আধুনিকায়নে আইডিবির সঙ্গে বিলিয়ন ডলারের চুক্তি সইফটিকছড়িতে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যুঃ স্বামী সহ ২ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

― Advertisement ―

“সন্ত্রাসের সামনে আপসহীন ওসি আবদুর রহিম—খুলশীতে আইনের শাসনের নতুন বার্তা”

চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী—আবাসিক এলাকা, গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের বসবাসের কারণে আইনশৃঙ্খলার দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকা। এই এলাকায় মাদক, সন্ত্রাস,...

স্ক্রিনে ভেসে ওঠে মৃতদেহ, প্রিয়জন খুঁজে ফিরছেন গাজার মানুষ

Homeআন্তর্জাতিকস্ক্রিনে ভেসে ওঠে মৃতদেহ, প্রিয়জন খুঁজে ফিরছেন গাজার মানুষ

গাজার খান ইউনিসের নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সের এক সাদামাটা হলঘরে নীরবে বসে আছেন ডজনখানেক মানুষ। আলো-আঁধারির ঘেরাটোপে সবার চোখ স্থির সামনের বড় স্ক্রিনে—যেখানে একের পর এক ভেসে উঠছে বিকৃত, পচে-গলে যাওয়া মরদেহের ছবি। এই হলঘরের প্রতিটি মানুষ জানেন, গাজায় এখন ডিএনএ পরীক্ষার কোনো সরঞ্জাম নেই। তাই প্রিয়জনকে শনাক্ত করার একমাত্র উপায়—এই ভয়ংকর স্ক্রিনের দিকে নিরন্তর তাকিয়ে থাকা। কেউ খুঁজছেন কোনো চেনা মুখাবয়ব, কেউ কোনো পোশাকের অংশ—যে কোনো চিহ্ন, যা হয়তো নিশ্চিত করবে, ছবির দেহাবশেষটি তাদের হারিয়ে যাওয়া প্রিয়জনেরই। এটি এক অসহনীয়, কিন্তু অনিবার্য যন্ত্রণার প্রক্রিয়া। বাইরে তখনও চলছে মৃত্যু আর ধ্বংসের তাণ্ডব। গাজাজুড়ে ছড়িয়ে আছে ইসরায়েলের ফেলা অসংখ্য অবিস্ফোরিত বোমা—যেগুলো খেলার মাঠে শিশুদের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে প্রতিদিন। কেউ আহত হচ্ছে ঘরে, কেউ খাদ্যের সন্ধানে গিয়ে, কেউবা কেবল বেঁচে থাকার চেষ্টাতেই হারাচ্ছে জীবন। এই চরম দুর্দশার মধ্যেও মানুষ ছুটে আসছে হাসপাতালের হলঘরে—প্রিয়জনদের শেষবারের মতো খুঁজে পেতে, বিদায় জানাতে। গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যা শুরুর পর থেকে অন্তত ১০ হাজার মানুষ এখনো নিখোঁজ। ধারণা করা হচ্ছে, অধিকাংশই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন। অন্যদিকে, জেনেভাভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ইউরো-মেড হিউম্যান রাইটস মনিটর জানিয়েছে, প্রায় ২ হাজার ৭০০ ফিলিস্তিনি এখনো ইসরায়েলি হেফাজতে—তাদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, কেউ জানে না। যুদ্ধবিরতি থাকলেও অব্যাহত অবরোধে ফরেনসিক সরঞ্জাম, বিশেষ করে ডিএনএ পরীক্ষার যন্ত্র, গাজায় ঢুকতে পারছে না। ফলে মৃতদেহ শনাক্তের এই বেদনাময় প্রক্রিয়াও থেমে যাচ্ছে ধ্বংসস্তূপের স্তব্ধতার সঙ্গে।