শিরোনাম
চট্টগ্রামের স্বার্থে একজন চেয়ারম্যানকে কাজ করতে দিন | নগর পরিকল্পনার কঠিন পথে বাধা নয়, চাই সত্য, প্রমাণ ও আইনের শাসনউৎপাদন বাড়লে হাতের নাগালে আসতে পারে ইলিশের দামমিছিল থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ কর্মী আটক, ছাড়িয়ে নিলেন পথচারীরাভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন প্রক্রিয়া জেনে নিনবিশ্ববাজারে কমেছে তেলের দামগুলশানে গাড়িচাপায় নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু: ৯ লাখ টাকায় আপস“ঝড়, বিতর্ক ও প্রত্যাবর্তন: কোতোয়ালী পেরিয়ে গুলশানে আবু জায়েদ নাজমুন নূর-একজন পেশাদার পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা প্রশ্নের সবচেয়ে শক্ত জবাব -নতুন দায়িত্ব, নতুন আস্থা, নতুন অধ্যায়””ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, বাতিল ১০৩ অনাপত্তি সনদরাষ্ট্রীয় পুলিশ পদকের স্বীকৃতি পাচ্ছেন বাবুল আজাদ কঠিন সময়ে পাহাড়তলী থেকে ডবলমুরিং, চকবাজার হয়ে ডিবিতে; সাহস, মেধা ও পেশাদারিত্বে উজ্জ্বল এক পুলিশ কর্মকর্তার পথচলা-জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও নিত্যপণ্যের বাজারে বড় প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

― Advertisement ―

চট্টগ্রামের স্বার্থে একজন চেয়ারম্যানকে কাজ করতে দিন | নগর পরিকল্পনার কঠিন পথে বাধা নয়, চাই সত্য, প্রমাণ ও আইনের শাসন

মো. কামাল উদ্দিন:চট্টগ্রামকে ভালোবাসি বললেই চট্টগ্রামের জন্য কাজ করা হয় না। চট্টগ্রামের জন্য কাজ করতে হলে অনেক সময় জনপ্রিয়তার পথ ছেড়ে কঠিন সিদ্ধান্তের পথে...

দাদিকে কুপিয়ে ও নাতনিকে ধর্ষণের পর হত্যা

Homeআন্তর্জাতিকদাদিকে কুপিয়ে ও নাতনিকে ধর্ষণের পর হত্যা

ঈশ্বরদী উপজেলার গভীর রাতে দাদি ও নাতনিকে কেন্দ্র করে মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তরা দাদিকে কুপিয়ে হত্যা করে নাতনিকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। পৃথক স্থান থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাংলাদেশ পুলিশ সদস্যরা মরদেহ দুটি উদ্ধার করেন। এর আগে মধ্যরাতের কোনো এক সময় উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানিপুর উত্তরপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন ভবানিপুর উত্তরপাড়ার বাসিন্দা সুফিয়া খাতুন (৬৫) এবং তার নাতনি জামিলা আক্তার (১৫)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টিনশেড বাড়িতে দাদি ও নাতনি একসঙ্গেই বসবাস করতেন। নিহত শিক্ষার্থী জামিলা আক্তার কালিকাপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার ছাত্রী ছিলেন এবং তার বাবা ঢাকায় অবস্থান করতেন। গভীর রাতে বাড়ি থেকে কান্নার শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন বাইরে বের হলেও কিছুক্ষণ পর শব্দ থেমে গেলে তারা ফিরে যান। সকালে বাড়ির উঠানে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে গম ও সরিষা ক্ষেতের আইলের মধ্যে বিবস্ত্র অবস্থায় জামিলা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, নাতনিকে তুলে নিতে বাধা দেওয়ায় প্রথমে দাদিকে হত্যা করা হয়। এরপর নাতনিকে অপহরণ করে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ ক্ষেতের মধ্যে ফেলে যায় দুর্বৃত্তরা।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।