শিরোনাম
➤চট্টগ্রামের স্বার্থে একজন চেয়ারম্যানকে কাজ করতে দিন | নগর পরিকল্পনার কঠিন পথে বাধা নয়, চাই সত্য, প্রমাণ ও আইনের শাসন➤উৎপাদন বাড়লে হাতের নাগালে আসতে পারে ইলিশের দাম➤মিছিল থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ কর্মী আটক, ছাড়িয়ে নিলেন পথচারীরা➤ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন প্রক্রিয়া জেনে নিন➤বিশ্ববাজারে কমেছে তেলের দাম➤গুলশানে গাড়িচাপায় নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু: ৯ লাখ টাকায় আপস➤“ঝড়, বিতর্ক ও প্রত্যাবর্তন: কোতোয়ালী পেরিয়ে গুলশানে আবু জায়েদ নাজমুন নূর-একজন পেশাদার পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা প্রশ্নের সবচেয়ে শক্ত জবাব -নতুন দায়িত্ব, নতুন আস্থা, নতুন অধ্যায়””➤ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, বাতিল ১০৩ অনাপত্তি সনদ➤রাষ্ট্রীয় পুলিশ পদকের স্বীকৃতি পাচ্ছেন বাবুল আজাদ কঠিন সময়ে পাহাড়তলী থেকে ডবলমুরিং, চকবাজার হয়ে ডিবিতে; সাহস, মেধা ও পেশাদারিত্বে উজ্জ্বল এক পুলিশ কর্মকর্তার পথচলা-➤জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও নিত্যপণ্যের বাজারে বড় প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

― Advertisement ―

চট্টগ্রামের স্বার্থে একজন চেয়ারম্যানকে কাজ করতে দিন | নগর পরিকল্পনার কঠিন পথে বাধা নয়, চাই সত্য, প্রমাণ ও আইনের শাসন

মো. কামাল উদ্দিন:চট্টগ্রামকে ভালোবাসি বললেই চট্টগ্রামের জন্য কাজ করা হয় না। চট্টগ্রামের জন্য কাজ করতে হলে অনেক সময় জনপ্রিয়তার পথ ছেড়ে কঠিন সিদ্ধান্তের পথে...

জামায়াত আমিরের আহ্বান: নির্বাচনের ফলাফলে হতাশ বা বিভ্রান্ত হবেন না

Homeরাজনীতিজামায়াত আমিরের আহ্বান: নির্বাচনের ফলাফলে হতাশ বা বিভ্রান্ত হবেন না

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে গণমাধ্যমে খণ্ডিত বা অসম্পূর্ণ প্রতিবেদনের কারণে হতাশ বা বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে তিনি দলের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে পোস্টে এ তথ্য জানান।

পোস্টে তিনি লিখেছেন, “নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে গণমাধ্যমের খণ্ডিত উপস্থাপনায় হতাশ বা বিভ্রান্ত হবেন না। জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোটের প্রাপ্ত ভোটের পরিসংখ্যান একটি শক্তিশালী বার্তা বহন করে। প্রদত্ত প্রায় সাত কোটি ভোটের মধ্যে আমাদের জোট ৩৮.৫০ শতাংশ ভোট পেয়েছে। প্রায় ২ কোটি ৮৮ লাখ নাগরিক এই জোটের প্রতি তাদের আস্থা প্রকাশ করেছেন। এটি একটি বিশাল ও তাৎপর্যপূর্ণ জনমত।”

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ইতিহাসে অতীতের অনেক রেকর্ড ভেঙে আজ দেশের অন্যতম বৃহত্তম বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ২০০৮ সালে মাত্র দুইটি আসন থেকে আজ কোটি কোটি মানুষের সমর্থন আমাদের প্রতি আস্থা প্রকাশ করছে। এটি একটি ঐতিহাসিক অগ্রযাত্রার সূচনা।”

তিনি আরও বলেন, “দেশের প্রায় অর্ধেক ভোটার সংস্কার, জবাবদিহি এবং নীতিভিত্তিক রাজনীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এখন আমাদের সময় এসেছে শৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক পরিপক্বতা প্রদর্শনের। আসুন, সরকারকে জবাবদিহির আওতায় আনতে আমরা গঠনমূলক ভূমিকা রাখি। পরবর্তী নির্বাচনে জনগণের আরও বিস্তৃত আস্থা অর্জনের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করি। আমরা আমাদের সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করব, দলীয় ঐক্যকে সুদৃঢ় করব এবং সুস্পষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে এগিয়ে যাব।”

জামায়াত আমিরের শেষ বার্তায় বলা হয়েছে, “আমাদের এই পথচলা অব্যাহত থাকবে। ত্যাগ ও পরিশ্রমের মাধ্যমে সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। আল্লাহ আমাদের পূর্ণ বিজয় দান করবেন।”